Thursday, October 28, 2021

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (baube) বিএ/বিএসএস মার্কশীপ ও সার্টিফিকেট তোলার জন্য যা যা করবেন:

01। মার্কশীট ও সার্টিফিকেট তোলার জন্য একটা আবেদন ফরম পূরণ করে দিতে হবে।

02। শিক্ষার্থী কার্ডের ফটোকপি ও মূলকপি জমা দিতে হবে। (মূল কিপি দেখে ফটোকপি জমা নিবে)

03। ভোটার আইডি কার্ড ফটোকপি ও মূলকপি জমা দিতে হবে। (মূল কিপি দেখে ফটোকপি জমা নিবে)

04। অন-লাইন থেকে উঠানো একটা অন-লাইন মার্কশীটের কপি জমা দিতে হবে।

05। এসএসসি পাশের সার্টিফিকেটের সত্যায়িত ফটোকপি ও মূল কপি জমা দিতে হবে। (মূল কিপি দেখে ফটোকপি জমা নিবে)


যে শিক্ষার্থীর মার্কশীট ও সার্টিফিকেট অবশ্যই তাকে আসতে হবে অন্য কাউকে দিয়ে মার্কশীট ও সার্টিফিকেট দেওয়া হয় না।

1992সাল থেকে 2013 সালের মধ্যে যারা পাশ করেছেন তাদের 300+400=700 টাকা দুইটি ব্যাংক রশীদে জনতা ব্যাংক গাজীপর শাখায় জমা দিতে হবে। তবে 2014 সাল থেকে 2021 সালের মধ্যে যারা পাশ করেছেন তাদের কোন টাকা জমা দিতে হবে না।

যে শিক্ষার্থীর মার্কশীট ও সার্টিফিকেট অবশ্যেই তাকে আসতে হবে অন্য কাউকে দিয়ে মার্কশীট ও সার্টিফিকেট দেওয়া হয় না। সকাল 9:00 টা থেকে 11:00 টার মধ্যে মার্কশীট ও সার্টিফিকেট উঠানোর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়া হয় এবং তাদেরকে দিনের দিন মার্কশীট ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। বেলা 11:00 টার পরে কাগজপত্র জমা নেওয়া হয় না।

সাপ্তাহিক বন্ধ: শনি ও রবিবার

ফোন: 0249273180 (মোবাইল থেকেও ফোন করতে পারবেন)

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (baube) বিএ/বিএসএস মার্কশীপ ও সার্টিফিকেট তোলার জন্য যা যা করবেন:

Wednesday, October 27, 2021

 বাউবির জনপ্রিয় একটি প্রোগ্রামের নাম বিএ এবং বিএসএস। অনেকের ধারণা এ প্রোগ্রামে পাস করলে সনদে বি এ এবং বিএসএস লেখা থাকবে, যা সঠিক নয়। বিষয়টি আলোচনা করছি।

বাউবি'র বি এ এবং বিএসএস প্রোগ্রামটি ০৩ বছর মেয়াদি বা ০৬ সেমিস্টারে সম্পন্ন হয়। প্রতি বছর ০২ সেমিস্টার করে পরীক্ষা দিতে হবে। কারো ইচ্ছে বিএ ডিগ্রি বা কারো বিএসএস ডিগ্রি নেওয়া কিন্তু সঠিক ধারণা না থাকায় সনদ পাওয়ার পর অনেকে মনোকষ্টে ভোগেন। তাই সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে এ আলোচনা। বিএ এবং বিএসএস প্রোগ্রামে অনেকগুলো বিষয় আছে; যেমন বাংলা, ইংরেজি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান,অর্থনীতি, ভূগোল, দর্শন, ইতিহাস, ইসলামিক স্টাডিজ। ১ম সেমিস্টারের বিষয়গুলো সকলের জন্য বাধ্যতামূলক, এখানে বিষয় পছন্দ করা যায় না। ২য় সেমিস্টারে এসে পছন্দমত অপশনাল বিষয় নিতে হয় এবং এর ওপরই নির্ভর করে আপনার ডিগ্রির নাম কি হবে, বিএ নাকি বিএসএস। ২য় সেমিস্টারে আবশ্যিক বাংলার সাথে ০৩ টি অপশনাল বিষয় নিতে হবে। বুঝানোর জন্য অপশনাল বিষয়কে আমি ০২ ভাগে দেখাচ্ছি; ক) দর্শন, ইতিহাস, ইসলামিক স্টাডিজ খ). সমাজবিজ্ঞান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, অর্থনীতি ও ভূগোল এখন ' ক' গ্রুপ হতে ০২ বিষয় এবং খ গ্রুপ হতে ০১ বিষয় নিলে হবে বিএ বা ব্যাচেলর অব আর্টস। ' খ ' গ্রুপ হতে ০২ বিষয় এবং ক গ্রুপ হতে ০১ বিষয় নিলে হবে বিএসএস বা ব্যাচেলর অব সোশ্যাল সাইন্স। লক্ষ্যনীয় বিষয় হলো একই গ্রুপ হতে ০৩ টি বিষয় নেওয়া যাবে না। উভয় গ্রুপে বাংলা আবশ্যিক বিষয় থাকবে। ৩য় সেমিস্টার হতে ৬ষ্ঠ সেমিস্টার পর্যন্ত একই অপশনাল বিষয় থাকবে এবং এ সময়ে আর বিষয় পরিবর্তন করা যাবে না। তাই নিজ বিবেচনায় ও বুদ্ধিমত্তার আলোকে বিষয় নির্বাচন করতে হবে। আপনি কি ভালো বুঝেন, কোনটি মনে থাকে, কি পড়তে ভালো লাগে, সে সিদ্ধান্ত একান্তই আপনার, তাই অন্যের বুদ্ধিতে বিষয় ঠিক করা সমীচিন নয়। যেমন ইতিহাস কারো কাছে খুব সোজা কিন্তু আপনার সাল ও জায়গার নাম মনে না থাকলে আপনার জন্য কঠিন। অর্থনীতি খুব ভালো বিষয় কিন্তু আপনাকেও ভালো স্টুডেন্ট হতে হবে, একটু অংক বুঝতে হবে--- বিধায় নিজ বিবেচনায় বিষয় নির্ধারণ করে কোন ডিগ্রি নিতে চান তা পছন্দ করুন। আপনার বন্ধুকেও বিষয়টি বুঝিয়ে বলুন।

বি এ নাকি বি এস এস বাউবির বিষয় নির্বাচন

Tuesday, October 26, 2021

 

কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম বান্দার নামাজের হিসাব নেওয়া হবে। এই নয় যে বান্দা নামাজ পড়েছে কি না তাই না বান্দা নামাজে যা পড়েছে বা যে সূরা বা আয়াত পড়েছে তা পালন করেছে কিনা এটাই নামাজের হিসাব। 

কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম বান্দার নামাজের হিসাব নেওয়া হবে

Sunday, October 24, 2021


 আপনার মেয়ে শিশুকে রক্ষা করুন!

কিছু পদক্ষেপের তালিকা দেওয়া হলো আপনার শিশুকে শিক্ষা দিতে পারেনঃ
১. আপনার শিশুকে কারো কোলে বসতে দিবেন না।
২. সন্তানের বয়স দু’বছরের বেশী হলেই তার সামনে আর আপনি কাপড়চোপড় পাল্টাবেন না।
৩. প্রাপ্ত বয়স্ক কেউ আপনার শিশুকে উদ্দেশ্য করে বলছে: ‘আমার বৌ’, ‘আমার স্বামী’- এটা অ্যালাউ করবেন না।
৪. আপনার শিশু যখন বলছে সে খেলতে যাচ্ছে, কোন্ ধরণের খেলা সে খেলছে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন, উঠতি বয়সি বাচ্চাদের মধ্যে অ্যাবিউজিং প্রবণতা পাওয়া যাচ্ছে।
৫. স্বাচ্ছন্দবোধ করছে না এমন কারো সাথে কোথাও যেতে আপনার শিশুকে জোরাজুরি করবেন না। পাশাপাশি লক্ষ্য রাখুন, আপনার শিশু বিশেষ কোন প্রাপ্ত বয়স্কের ভক্ত হয়ে উঠেছে কিনা।
৬. দারুণ প্রাণচ্ছল কোন শিশু হঠাৎ নির্জিব হয়ে গেলে, তাকে প্রশ্ন করুণ। তার মনের অবস্থাটা পড়তে চেষ্টা করুণ।
৭. বয়:সন্ধি পেরোচ্ছে এমন বাচ্চাকে যৌনমূল্যবোধ সম্পর্কে শিক্ষা দিন। আপনি যদি এ কাজ না করেন, তবে সমাজ তাকে ভুল টা শিখিয়ে দেবে।
৮. কোন ছবি, কার্টুন ইত্যাদি বাচ্চাদের জন্য আনলে আগে তা নিজে দেখুন। কোন বই সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে তবেই তা কোমলমতি সন্তানের হাতে দিন।
৯. আপনি নিশ্চিত হন যে আপনি প্যারেন্টাল কন্ট্রোল অপশন অ্যাক্টিভেট করে রেখেছেন কেবল নেটওয়ার্কে, বিশেষ করে সেই সমস্ত নেটওয়ার্কে যেখানে আপনার শিশু প্রায়শই ভিজিট করে।
১০. তিন বছর বয়স হয়েছে এমন সন্তানকে তাদের ব্যক্তিগত গোপন স্থানসমূহ কিভাবে পরিস্কারপরিচ্ছন্ন রাখতে হয় তা শেখান। সতর্ক করে দিন যেন সেসব এলাকা কেউ স্পর্শ করতে না পারে- নিষিদ্ধদের মধ্যে আপনিও আছেন (মনে রাখবেন চ্যারিটি বিগিনস অ্যাট হোম এ্যান্ড উইথ ইউ)।
১১. কালো তালিকাভুক্ত করুণ সেই সব বই, গান, মুভি, পরিবার বা ব্যক্তিকে- আপনি মনে করেন যে বা যা আপনার শিশুর মনের সৌন্দর্য নষ্ট করতে পারে।
১২. আপনার শিশুকে ভিড়ের বাইরে গিয়ে দাড়ানোর মূল্যবোধ শেখান।
১৩. আপনার শিশু যদি কারো সম্পর্কে অভিযোগ করে তবে দয়া করে বিষয়টি নিয়ে মুখ বুজে থাকবেন না।
আপনার সচেতনতা আপনার পরিবারের নিরাপত্তা।
সংগৃহীত

আপনার মেয়ে শিশুকে রক্ষা করুন!

Thursday, September 23, 2021

 

শেক্সপিয়ার বলেছিলেন "একজন ছেলে কখনো একজন মেয়ের বন্ধু হতে পারে না, কারণ এখানে আবেগ আছে, দৈহিক আকাঙ্খা আছে।" একই কথা বলেছেন আইরিশ কবি Oscar Wilde. "নারী এবং পুরুষের মাঝে কেবলই বন্ধুত্বের সম্পর্ক থাকা অসম্ভব। যা থাকতে পারে তা হলো আকাঙ্খা, দুর্বলতা, ঘৃণা কিংবা ভালোবাসা।" বন্ধুত্বের সম্পর্ক নিয়ে ঢোকা একটা ভন্ডামী! শুধুই সুযোগের অপেক্ষা। সবশেষ পরিনতি পরকিয়া!

হুমায়ূন আহমেদ বলেছিলেন, "ছেলে আর মেয়ে বন্ধু হতে পারে কিন্ত তারা অবশ্যই প্রেমে পড়বে। হয়তো খুবই অল্প সময়ের জন্য অথবা ভুল সময়ে। কিংবা খুবই দেরিতে, আর না হয় সব সময়ের জন্য। তবে প্রেমে তারা পড়বেই। শুধুই সুযোগের অপেক্ষা।"
সত্যি বলতে, ছেলে ও মেয়েতে শুধুমাত্র বন্ধুত্ব অসম্ভব ও প্রকৃতি বিরুদ্ধ। কেননা শুধুমাত্র বন্ধুত্ব হলে প্রকৃতি নিজের অস্তিত্ব হারাবে। চুম্বক আর লোহা কখনো পাশাপাশি থাকতে পারে না... আকৃষ্ট করবেই। যদি কেউ তা এড়িয়ে যায় তবে সে ভণ্ডামি করছে নয়তো ধোকা দিচ্ছে। আগুনের পাশে মোম গলবেই। ছেলে ও মেয়ে বন্ধুত্ব হতে পারে, কিন্তু একসময় প্রেমে বা অবৈধ সম্পর্কে রুপ নিবেই। শুধুই সুযোগের অপেক্ষা। আর এটাই স্বাভাবিক।
তবে তাদের এই মন্তব্য গুলোকে জোরালো ভাবে সমর্থন দিচ্ছে Flirtationship যার অর্থ হচ্ছে ছিনালি করা। কড়া ভাষায় বলতে গেলে নোংরামি করা।
তাই অভিভাবক সহ সবাইকে এ ব্যাপারে এখনি বিশেষ ভাবে সতর্ক হওয়া আবশ্যক। নয়তো আমরা ক্রমান্বয়ে ওই সাংস্কৃতির দিকে অগ্রসর হব, যখন একটা ছেলে কিংবা মেয়ে নিশ্চিতভাবে বলতে পারবে না, তার বাবা-মা কে!
তাই লক্ষ্য রাখুন, আপনার বোন কিংবা মেয়ে, স্বামী কিংবা স্ত্রী, ভাই কিংবা ছেলে, কাদের সাথে মিশছে! নিজেকে ও এ বিষয়ে বিশেষ ভাবে সতর্ক রাখতে হবে। কারণ শয়তান সব সময় মানুষের পিছনে লেগে আছে তাকে বিপথগামী করার জন্যে। সঙ্গটাই এই খানে সবচেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ন।

একজন ছেলে কখনো একজন মেয়ের বন্ধু হতে পারে না

Saturday, September 4, 2021


🍀💚স্ত্রীকে দাসি নয় বন্ধু ভাবুন💚☘️
গভীর রাতে ঘুম ভেঙ্গে যৌন উত্তেজনায় জোর করে স্ত্রীর ব্রা খুললেই স্বামী হওয়া যায় না। আমরা স্বামীর দাবি নিয়ে ব্রা খুলতে শিখেছি!!
কিন্তু কখনো কি স্ত্রীকে বলেছি, আজ তোমার শরীরটা কেমন? সারা দিন প্রচুর খাটাখাটনি হয়েছে তাই না? আজ তোমার শরীরটা একটু টিপে দেই? শরীরের ব্যথা কমে যাবে!!
অফিসে কাজের নামে অন্যের স্ত্রীর সাথে কর্পোরেট ঘষাঘষি করি। কখনো কি মনে পড়ে কেউ একজন দিন শেষে বেলকুনির গ্রিল ধরে পথ চেয়ে আছে আমার অপেক্ষায়। অফিস থেকে ফিরে ক্লান্ত শরীরে,মেজাজ গরমে স্ত্রীকে বলি দুধ চিনি ভাল করে দিয়ে, তাড়াতাড়ি এক কাপ চা দাও!!!
তখন একবারের জন্য কি মনে হয় না, এই মানুষটাও তো সারাদিন আমার মতো কামলা দিয়েছে, তার আমার মধ্যে পার্থক্য, সে ঘরে দিয়েছে আর আপনি বাহিরে দিয়েছেন!!
রাতে ঘুমের ভান ধরে কম্বলের নিচে মেসেঞ্জারে ডিজিটাল পরকীয়া করার সময়, ঘুমন্ত স্ত্রীর কথা একবারও মনে পড়েনা, আপনি তার বিশ্বাস ও আস্থার জায়গাটা নষ্ট করে তাকে ঠকাচ্ছেন?
বাকি রইলো বিয়ে! দেনমোহর আর কবুল বলেই স্বামী হওয়া যায় না। স্বামী একটি অন্ধ বিশ্বাস, ভরসাময় আস্থা♥
শুধু যৌনতায়ই স্ত্রী সুখ না, ভালবাসায়ই স্ত্রীর অফুরন্ত সুখ, শান্তি🌺
স্ত্রী মানেই রোবট না, স্ত্রীও আপনার মতো রক্তে মাংসে গড়া একজন মানুষ। তাকে বুঝন, বোঝার চেষ্ঠা করুন, বোঝা উচিৎ। স্ত্রী আপনার, দায়িত্ব ও কর্তব্যের পাশাপাশি তাকে ভালবাসাটাও আপনার মহা দায়িত্ব🏖
কখনও কি তাকে জিজ্ঞাসা করেছি, মাসের প্রথমে অথবা শেষে তার শরীর থেকে যেই বিষাক্ত রক্তপাত হয়, তা কতটা কষ্টের ও যন্ত্রনাদায়ক? যৌনতায় ভালবাসা থাকেনা, ভালবাসা থাকে গভীর রাতে যৌন মিলন না করে স্ত্রীকে বুকে জড়িয়ে নিজের হৃদপিন্ডে ঢুকিয়ে তার কষ্টের কথা গুলো শুনার মাঝে, তাকে শান্তনার মাঝে♥♥
দশমাস নয়, মাত্র দশদিন, দশ কেজি ওজনের একটি পাথর আপনার পেটে বেধে দেওয়া হবে। তা নিয়ে এই দশদিন আপনি সমস্ত কাজ করতে পারলেই আপনার সন্তান সেটা স্বীকৃতি পাবেন!!
স্ত্রী কে ভোগ করতে না, ভালোবাসতে শিখুন♥
বুঝতে শিখুন,যে সে কি চায়!!
লেখাটা পড়ার পর অনেকের খারাপ লাগবে কিন্তু
এটাই বাস্তব তাই একটু প্লিজ নিজেকে পরিবর্তন করার চেষ্টা করুন ♥♥♥
🎋প্লিজ কেউ খারাপ মন্তব্য করবেন না

🍀💚স্ত্রীকে দাসি নয় বন্ধু ভাবুন💚☘️

Thursday, August 5, 2021

 রিযিক নিয়ে এভাবে কখনো ভাবিনি।

রিজিকের সর্বনিম্ন স্তরঃ টাকা, পয়সা, অর্থ, সম্পদ ।
সর্বোচ্চ স্তরঃ শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা।
সর্বোত্তম স্তরঃ পুণ্যবান স্ত্রী ও পরিশুদ্ধ নেক সন্তান
পরিপূর্ণ স্তরঃ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি।
রিজিক খুব গভীর একটি বিষয় যদি আমরা বুঝতে পারি।
আমি পুরো জীবনে কত টাকা আয় করবো সেটা লিখিত, কে আমার জীবনসঙ্গী হবে সেটা লিখিত, কবে কোথায় মারা যাবো সেটা লিখিত।
আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, আমি কতগুলো দানা ভাত দুনিয়াতে খেয়ে তারপর মারা যাবো সেটা লিখিত। একটি দানাও কম না, একটিও বেশি না।
ধরেন এটা লিখিত যে আমি সারাজীবনে ১ কোটি টাকা আয় করবো, এই সিদ্ধান্ত আল্লাহ্‌ তায়ালা নিয়েছেন।
আমি হালাল উপায়ে আয় করবো না হারাম উপায়ে আয় করবো সেই সিদ্ধান্ত আমার।
যদি ধৈর্য ধারণ করি, আল্লাহ্‌ তায়ালার কাছে চাই, তাহলে হালাল উপায়ে ওই ১ কোটি আয় করেই আমি মারা যাবো, হারাম উপায়ে হলেও ওই ১ কোটিই... নাথিং মোর, নাথিং লেস!
আমি যেই ফলটি আজকে টেকনাফ বসে খাচ্ছি, সেটা হয়ত ইতালি কিংবা থাইল্যান্ড থেকে ইমপোর্ট করা। ওই গাছে যখন মুকুল হয়েছে তখনই এটা নির্ধারিত যে সেটি আমার কাছে পৌঁছাবে। এর মধ্যে কত পাখি ওই ফলের উপর বসেছে, কত মানুষ এই ফলটি পাড়তে গেছে, দোকানে অনেকে এই ফলটি নেড়েচেড়ে রেখে গেছে, পছন্দ হয় নি, কিনে নি। এই সব ঘটনার কারণ একটাই, ফলটি আমার রিজিকে লিখিত। যতক্ষণ না আমি কিনতে যাচ্ছি, ততক্ষণ সেটা ওখানেই থাকবে।
এর মধ্যে আমি মারা যেতে পারতাম, অন্য কোথাও চলে যেতে পারতাম, কিন্তু না। রিজিকে যেহেতু লিখিত আমি এই ফলটি না খেয়ে মারা যাবো না।
...............
রিজিক জিনিসটা এতোটাই শক্তিশালী!
কিংবা যেই আত্মীয় কিংবা বন্ধু-বান্ধব আমার বাসায় আসছে, সে আসলে আমার খাবার খাচ্ছে না। এটা তারই রিজিক, শুধুমাত্র আল্লাহ্‌ তায়ালা আমার মাধ্যমে তার কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। হতে পারে এর মধ্যে আমাদের জন্য মঙ্গল রয়েছে।
আলহামদুলিল্লাহ্‌...
..............
কেউ কারোটা খাচ্ছে না, যে যার রিজিকের ভাগই খাচ্ছে।
আমরা হালাল না হারাম উপায়ে খাচ্ছি সেটা নির্ভর করছে আমি আল্লাহ্‌ তায়ালার উপর কতটুকু তাওয়াক্কাল আছি, কতটুকু ভরসা করে আছি।
আল্লাহ তা'আলা বলেন,
‘দুনিয়ায় বিচরণকারী এমন কোনো প্রাণী নেই, যার রিজিকের দায়িত্ব আল্লাহর ওপর নেই। তাদের স্থায়ী এবং অস্থায়ী অবস্থানস্থল সম্পর্কে তিনি অবহিত। সব কিছুই একটি সুস্পষ্ট কিতাবে লেখা আছে।’
(সুরা হুদ : আয়াত ৬)
‘যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য কোনো না কোনো পথ বের করে দেবেন। আর তাকে (এমন উৎস থেকে) রিজিক দেবেন যা সে ধারণাও করতে পারবে না।’
(সুরা ত্বালাক : আয়াত ২-৩)
আল্লাহ্‌ তায়ালা আমাদের সকলকে সঠিক পথে রিজিক তালাশের তৌফিক দান করুন। আমীন.

রিযিক নিয়ে এভাবে কখনো ভাবিনি।