Showing posts with label Case Study. Show all posts
Showing posts with label Case Study. Show all posts

Monday, November 9, 2020

 স্ত্রীর নামঃ সুরাইয়া

আমি আমার স্ত্রীর সাথে ৪বছর সংসার করার পর,ডিভোর্স দিলাম।
আমার ছোট্ট মেয়েটাকে কোলে নিয়ে বাড়ির দিকে ফিরছি, অনেক কান্না করেছিলো মেয়েটা । মেয়েটার বয়স তখন দেড় বছর। একটু আকটু কথা বলতে শিখেছিলো।
আমি সে দিন সুরাইয়া'কে ডিভোর্স দিতে একটুও কষ্ট হয়নি।
যখন ডিভোর্সের কাগজে সাক্ষর করছিলাম, তখন সুরাইয়া আমাকে বলে, "আমাদের মেয়েটার দিকে একবার ভেবে দেখো। আমি চলে গেলে, মেয়েটা মা পাবে না। আমার মতো কেউ ভালবাসবে না"
আমি সে দিন হাসি দিয়ে বলেছিলাম, মেয়েটাকে নিয়ে আমি দিব্বি ভালো থাকবো। সে কোনদিনও তোমার নামটাও জানতে চাইবে না।
আমি সেই দিন ডিভোর্স দিয়েছি। আমাদের বিয়ের কাবিন ছিলো ১লাখ, আমি জমি কিনবো বলে, টাকা রেখেছিলাম তা দিয়ে দিলাম সুরাইয়া'কে ।
আদলতের বিচারক মেয়েটাকে সুরাইয়ার কাছেই রাখতে বলছে।
সুরাইয়া সে দিন বলেছিলো, আমার ডিভোর্স হয়েই গেলে। তার মেয়ে আমি কি করবো? আমার প্রয়োজন নাই। মেয়ে ওর কাছেই থাকুক।
সুরাইয়ার এই কথা গুলো, এটাই বুঝাতে চাইছে। মেয়ে নিবে, যদি তাকে নিয়ে থাকি। আমার মেয়ে ওর লাগবে না।
সব কিছুর পরও সেদিন ডিভোর্স দিয়ে দিলাম। বাড়ি ফেরার পথে, পার্কে গিয়ে বসলাম, অনেক কান্না করলাম। অনেকে আমাকে, বলেছিলো মেয়েটার মা মারা গেছে নাকি? আপনি মেয়েটা নিয়ে চোখ দিয়ে পানি ফেলেই যাচ্ছেন কেন ?
পার্কে মেয়েটা কান্না করতে করতে কোলো ঘুমিয়ে গিয়েছে। অনেক ভাবলাম তখন, আমিই দোষী নাকি? ২বছর ভালবাসার পর বিয়ে করেছিলাম। একটা ভালো চাকুরীও করি। অনেক ভালবাসার পর বিয়ে।
সুখেই জীবন কাটতেছিলো, বিয়ের প্রায় ২বছর পর, একদিন অফিস থেকে বাসায় ফিরলে সুরাইয়া বলে আমাদের সন্তান হবে।
বাবা হওয়ার আনন্দ যে কতটা মধুর, যে প্রথম বাবা হওয়ার খবর শুনে সে বুঝে।
কথা শুনে বুকে জড়িয়ে ধরেছিলাম। বাচ্চাটা পেটে আসার পরই সুরাইয়াকে অনেক যত্ন করতাম। মা'কে বলেছিলাম সুরাইয়া খেয়াল রাখতে।
বাবা, ভাই বোন কেউ ছিলো না। বাবা মারা যাওয়ার পর, মা আমাকে ও আমার বড় ভাইকে অনেক কষ্টে বড় করেছিলো।
বাবার রেখে যাওয়া টাকা থেকে ব্যাংক আমাদের মাসিক মুনাফা দিতো ৩হাজার। কিছু ধানের জমি ছিলো ওটা লোক দিয়ে করিয়ে ধান ফলাতো। আমার খাবারের চাউল হতো ওই গুলো। শহরে চলে আসলাম চাকুরী পাওয়ার পর।
সুরাইয়ার কেমন জানি হয়ে গিয়েছিলো। মেয়ে হওয়ার পরই, মায়ের সাথে অনেক খারাপ আচরণ করতে শুরু করলো, অফিস থেকে বাসায় ফিরে দেখতাম মায়ের সাথে এটা ওটা নিয়ে লেগে থাকতো।
আমাকে কিছু বলতো না দুজনই। আমিও জানতে চাইতাম না। তাদের বুঝ অবুঝ ওরাই বুঝবে।
কিছুদিন পরই একদিন সুরাইয়া আমাকে বলে, "আমি তোমায় মায়ের সাথে আর থাকতে পারবো না। ওনাকে গ্রামে পাঠিয়ে দাও "
কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললাম তখন, "আমার মা থাকলে কি সমস্যা? "
সুরাইয়ার জবাব ছিলো এমন, " আমাকে নিয়ে এই বাসায় থাকতে চাইলে মা'কে গ্রামে পাঠিয়ে দাও আর মা এই বাসায় থাকলে আমাকে আলাদা বাসা নিয়ে দাও। তবুও তোমার মায়ের সাথে থাকবো না।
তা না পারলে, আমি ডিভোর্স চাই। তোমার মায়ের দায়িত্ব তোমার একার না। ভাইও আছে "
"তোমার ভাই যদি তোমার মাকে না দেখে কি করবা? সবার মা সবার কাছেই দামি "
উত্তরটা এমন ছিলো, "আমার মা'কে কিছু করলে আমি এই বাসায় আনবো। আমার মা'কে তুমিই পালতে হবে "
"আজ তোমার মাকে আলাদা রাখার কথা বলতে পারতে না। তাহলে আমার মায়ের সাথে কেন এত অভিযোগ? "
সুরাইয়া বললো, "তোমার স্বীদ্ধান্ত কি করবা? মা'কে আলাদা করবা নাকি আমাকে? নাকি আমাকে ডিভোর্স দিবা?"
আমি সেই দিন মুহূর্তে স্বীদ্ধান্ত নিলাম, আর বললাম, "মায়ের সাথে থাকতে না পারলে। তোমাকে আর রাখতে চাই না। ডিভোর্স দিবো "
সেও রাজি হয়ে যায়। কিছুদিন পরই সুরাইয়াকে ডিভোর্স। সেইদিন মাও চেয়েছিলো গ্রামের বাড়ি খাগড়াছড়ি চলে যেতে।
কুমিল্লায় সুরাইয়া বাবার বাসা। এখানে চাকুরীর সুবাদে তার সাথে পরিচয় প্রেম হয়। বিয়ে করে এখানেই থাকা।৷
আমার ফ্লাটে আমার মা থাকবে। এমন স্ত্রী চাই না। সেইদিন ডিভোর্স দিয়ে বাসায় ফিরলে, মা বললো রাগ করে এইসব করা ঠিক হয়নি। মা অনেক আদর যত্ন করতো। মেয়েটাকে দেখা শুনা করতো।
গ্রামে বড় ভাই জমিতে চাষ করে, আর একটা ছোট মুদি দোকানও আছে। আমিই দোকান দিতে টাকা দিয়েছি।
আমার ভাইয়ের ছেলে মেয়ে সংসার বেশি কষ্ট হতো চালাতে। তাই মা'কে আমিই রাখি। মাসে মাসে কিছু টাকা দিতে হয় বড় ভাইকে। ভাই যদিও মাকে নিয়ে থাকতে চাইতো, আমি বললাম, শহরে আমি একা। তাই মা সাথে থাকুক।
সবাই অনেক মিলেমিশে থাকি। হঠাৎ সংসারে অশান্তি আসার আগেই সুরাইয়াকে বিদায় দিলাম।
যে মা এত কষ্ট করে বড় করলো, তাকে দূর করার চেয়ে ওই নারীরই দূরে থাকুক।
কিছু দিন পরই, একটা এতিম মেয়ে বিয়ে করলাম। অনেক ভাল আর ভদ্র, আমার অফিসেই চাকুরী খোঁজে করতে এসেছিলো। কথা শুনে সেইদিন ভালো লেগেছিলো।
সব ঠিকানা জেনে মা'কে নিয়ে তার সাথে কথা বলে বিয়ের প্রস্তাব দিলাম। আমার সকল কিছু বুঝিয়ে বলেছি।
বিয়ে করে নিলাম সানজিদাকে। বিয়ের পর জানলাম সে হাফেজাও, হিফজ্ শেষ হওয়ার পর, মাদ্রাসা পড়াশোনা করে। তারপর কলেজে ভর্তি হয়ে, নিজের খরচ নিজে চালাতো। পড়াশোনা শেষ করে, নিজের একটা ঠিকানা হয়তো বানাতে চেয়েছিলো।
সুরাইয়াকে ডিভোর্স দেওয়ার সাড়ে তিনমাস পরই সানজিদাকে বিয়ে করলাম। এতিম হওয়ায়, আমার মা'কে মায়ের মতোই ভালবাসতো। আমার মেয়েটা যেনো তারই মেয়ে এমন ভাবে দেখাশোনা করতো।
মেয়েটাও বড় হয়ে সানজিদাকেই মা বলে ডাকে। বিয়ের ৩বছর পর সানজিদা মা হয়। আমাদের সুখের নীড়ে আসে, একটা ছেলে সন্তান। দু-ছেলেমেয়ে নিয়ে আমাদের সংসার ভালোই চললো।
কিভাবে ২০টা বছর কেটে গেলো জানি না! আমার মেয়ের যখন ৭বছর বয়স তখন আমার মা আমাদের ছেড়ে, দুনিয়া ছেড়ে চলে গেলো।
মেয়েটাকে নিজের মায়ের মতো ভালবাসি। আজকে এই মা আমাকে ছেড়ে যাচ্ছে নতুন ঘরে। আজকে আমাদের মেয়ের বিয়ে।
এই ২০বছরে সে আজও জানে না, তার মায়ের নাম সুরাইয়া ; সানজিদা যে তার জন্ম দেয়নি।
সে এটাই জানে সানজিদা তার মা। কোনদিন বুঝেনি, আর সানজিদা কখনো অপরের মেয়ে ভাবেনি।
একটু পরই মেয়েটা বিদায় নিয়ে যাবে শ্বশুরবাড়ি। সানজিদা এতটাই ভালবাসা দিয়ে ছিলো, আমাদের সংসার যেনো স্বর্গ হয়েছিলো। সানজিদা আমাকে উল্টো বলেছিলো, যেনো কখনো মেয়েকে এটা না বলি, তার সৎ মেয়ে।
আল্লাহ হয়তো মায়ের জন্য, ত্যাগ করাটা পছন্দ করেছিলো।
তাই রহমত করে এমন স্ত্রী আমাকে দিয়েছিলো। এটাই সত্য, ত্যাগ করলে ভালো কিছু হবেই ইনশাআল্লাহ।

কেইস স্ট্যাডি-01-ডিভোর্স

Saturday, March 7, 2020

আজকের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ: আজকের বিষয়টি হলো অভিভাবক হিসেবে সন্তানের সেক্সুয়াল হ্যারাজমেন্ট বা যৌন হয়রানীমূলক কেস স্ট্যাডি:

একটি  মেয়ে সন্তান হয়ে জন্মানো এ সমাজের বাবা মার জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং বিষয়। মেয়েটি বড় হলে পদে পদে হ্যারাজমেন্ট। কেই কোলে নিয়ে বুক টিপে, নিচে হাত দেয়। একটু বড় হলে রাস্তার ছেলেরা বিভিন্ন কথা বলে। স্কুলে গেলে যাওয়া আসার পথে, ছাত্র দ্বারা, এমনকি শিক্ষক পর্যন্তও যৌন হয়রানী করে থাকেন। তো আজকের গল্প সে রকম একটি বাস্তব গল্প:

গল্প: 
একটি ছোট মেয়ে । বাবা মা দুজনই চাকরি করে। মেয়ের দেখাশোনা বুয়া করে। সাথে দাড়োয়ান। তো দাড়োয়ানের সাথে বুয়ার অবৈধ সম্পর্ক। এবং দাড়োয়ানের চরিত্র খারাপ। দাড়োয়ান মেয়েটিকে মাঝে মাঝেই কোলে নেয়। কিন্তু একদিন বুয়া ঘুমিয়ে পড়ায় মেয়েটি দাড়োয়ানের কাছে যায়। দাড়োয়ান কাউকে না দেখতে পেয়ে মেয়েটির বুকে হাত দেয়। নিচে হাত দেয়। মেয়েটি যেহেতু ছোট তাই বিকালে মেয়ের মা আসলে মেয়েটি তার মাকে বলে দেয় যে দাড়োয়ান আঙ্গেল আজ তাকে ব্যাথা দিয়েছে। 

তো মেয়েকে মানুষ করতে হলে বুয়া বা দাড়োয়ানের কাছে রাখবেন না। চাকরি ছাড়ুন না হলে অপরনীয় ক্ষতি হয়ে যাবে। 

Case Study_Sex_Guardian Awareness-02

আজকের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ: আজকের বিষয়টি হলো অভিভাবক হিসেবে সন্তানের সেক্সুয়াল হ্যারাজমেন্ট বা যৌন হয়রানীমূলক কেস স্ট্যাডি:

একটি  মেয়ে সন্তান হয়ে জন্মানো এ সমাজের বাবা মার জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং বিষয়। মেয়েটি বড় হলে পদে পদে হ্যারাজমেন্ট। কেই কোলে নিয়ে বুক টিপে, নিচে হাত দেয়। একটু বড় হলে রাস্তার ছেলেরা বিভিন্ন কথা বলে। স্কুলে গেলে যাওয়া আসার পথে, ছাত্র দ্বারা, এমনকি শিক্ষক পর্যন্তও যৌন হয়রানী করে থাকেন। তো আজকের গল্প সে রকম একটি বাস্তব গল্প:

গল্প:
একটি মেয়ে বিভিন্ন ভাবে উৎরিয়ে অনার্স ফাস্ট ইয়ারে ভর্তি হয়। যেহেতু আর্থিক অবস্থা স্বচ্ছল নয়। তাই নিজেকেই নোট তৈরি। বেশি করে লেখাপড়া করে লেখাপড়াটি চালিয়ে যেতে হয়। আর তার কলেজ অনেক দূরে হওয়ায় প্রাইভেট এবং কলেজের ক্লাসের জন্য তাকে প্রায়ই ভোর ভোর সময়ে রওনা দিতে হতো। তো কিছু দিন যাওয়ার পর এক দুষ্ট লোক এ বিষয়ে খেয়াল করে এবং সেও প্রাত ভ্রমন বলে প্রায়ই জগিং করতে বের হয়। এভাবে কয়েকদিন যাওয়ার পর সে যখন একা বিষয়টি ম্যানেজ করতে না পারে তখন তার ক্যাটাগীর আরো কয়েকজন (3/4) কে যোগাড় করে এবং একটি বাড়ী ঠিক করে।  এরপর যখন মেয়েটি সকালে বের হয়। তারা মেয়েটিকে জোর করে ঐ বাড়ীতে নিয়ে পালাক্রমে নির্জাতন করে  এবং যেহেতু মেয়েটি গরীব তাই ঐ বিষয়টি সয়ে যায় এবং নিজের থেকে কাউকে কিছু বলে না। কিন্তু ঐ দুষ্টু লোকগুলো তো পাড়ায় বলে বেড়ায়। এরপর তার স্যার তাকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করতে থাকে। যেমন বই দিয়ে। নোট দিয়ে। পরীক্ষার খাতায় নিজে লিখে দিয়ে।  মোবাইলের ম্যাসেজে শুধু একবার কিস করার ম্যাসেজ দেয় এতকিছু উপকার করার পর মেয়েটি আর তাকে না করতে পারেনি। তার তার বাড়ীতে প্রাইভেট পড়তে গিয়ে কিস দিতে গিয়ে জোর করে সেখানেও মেয়েটি নির্জাতিত হয়।

তো মেয়ের বাবাকে বলছি আপনার মেয়ের দিকে খেয়াল রাখুন। মেয়ে কিভাবে স্কুলে যাচ্ছে। কখন যাচ্ছে সব বিষয়ে নজর রাখুন। দরকার হলে মেয়ের মোবাইলের ম্যাসেজ চেক করুন। স্বাধীনতার নামে তাকে যাচ্ছে তাই করতে দিবেন না। তাহলে মেয়ে সারা জীবন আপনার ঘরেই থাকবে। বিয়ে দিলেও আবার চলে আসতে বাধ্য।

Case Study_Sex_Guardian Awareness

কেস স্ট্যাডি: বিয়ের আগে প্রেম, ভালো বাসা, শারিরীক সম্পর্ক

টপিকটা খুবই গুরুত্বপূর্ মনোযোগ দিয়ে পড়বেন। যদিও সরাসরি লেখা হয়েছে। এটা এডাল্ট টপিক ও ধরতে পারেন। তবে বর্তমান সমাজের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ:

আজকে আপনাদের একটি বিষয়ে বলতে চাচ্ছি। যারা গার্ডিয়ান তারা আপনাদের সন্তানদের না বালক থেকে সাবালকে উপনীত হওয়ার সাথে সাথে িএই বিষয়গুলো শিক্ষা দিন। সে ছেলে হউক বা মেয়ে হউক। কারণ আপনার মেয়ে বা ছেলে যদি কোন অপকর্ম করে সেটার দায়ভার আপনাকে বহন করতে হবে। তা এহকাল বা পরেকাল উভয় কালেই। ‍বিষয়টা একটা উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়ে দিচ্ছি।

গল্প:
একটি মেয়ে বিয়ের আগে লেখাপড়া করার সময় এক ছেলের সাথে গভীর প্রেম করতো। ছেলেটির সাথে মেয়েদি নিয়মিত দেখা শোণা, ম্যাসেঞ্জারে চেটিং, ফোনে কথা বলায় এতই আবেগজড়িত হয়ে পড়েছিল যেন আগ পাছ কিছুই ভাবতে পারছিল না। তো বেশ কিছু দিন যাওয়ার পর ছেলেটি মেয়েকে প্রথম স্পর্শ করে। মেয়েটি প্রথমে কিছুই বলেনে এরপর হাতে হাত রেখে হাটে উভয় জনেরই ভালো লাগে। তারপর  কোন একদিন হঠাৎ করে ছেলেটি মেয়ের গালে চুম্বা দেয়। এতে মেয়েটি একটি কপট রাগ দেখায়। তারপর আর কিন্তু কিছুই বলে না। তাই ছেলেটি হা বোধক সংকেত পেয়ে এখন প্রয়ই মেয়েটিকে চুমা দেয়। তারপর একদিন ছেলেটি মেয়েকে জড়িয়ে ধরার প্রস্তাব দেয়। কিন্তু মেয়েটি রাজী হয়না। ছেলেটি অভিমান করে বলে তাহলে মেয়েটি তাকে ভালো বাসেনা। এরই মধ্যে আসে হাগ ডে।  মেয়েকে ছেলেটি নির্জন স্থানে  ঘুরতে নিয়ে যায় এবং অনেক সময় কথা বলে এবং ঐ দিন ছিল হাগ ডে। তো ছেলেটি মেয়েকে জড়িয়ে ধরার কথা বলে কিন্তু মেয়েটি আশে পাশে  একটু খেয়াল করে ভাবলো কেউতো দেখছে না তাই সে রাজী হয়ে যায়। এই প্রথম ছেলেটি মেয়েকে গভীরভাবে জড়িয়ে ধরে হাগ দেয় সাথে লিপ কিসও করে এবং তার বুকে স্পর্শ করে। এরপর থেকে অনেকবারই জড়িয়ে ধরে। এরই মধ্যে 02টি বছর কেটে যায়। এবার ছেলেটি মেয়েকে বলে দেখ আমরা 02 বছর প্রেম করেছি তোমাকে বিয়ে করবো আর এই 02 বছরে তুমি কি আমাকে বিশ্বাস করছো না । মেয়েটি বলে হা বিশ্বাস করেছি। ছেলে বলে তাহলে চলো আমরা সেক্স করি। মেয়েটি প্রথমে বেশ কিছু দিন রাজী হয়নি। কিন্তু এই নিয়ে মান অভিমান চলতে থাকে। পরে মান অভিমান ভাঙ্গাতে মেয়েটি ছেলের সাথে সেক্স করে। তো এই সেক্স এর কথা যে কোন ভাবে ফ্লাস হয়ে যায়। এর খবর মেয়েটির বাবা মাও জানতে পারে। তারপর মেয়েটি ছেলেকে বিয়ের কথা বললে বলে আমি এখনও কোন চাকরি করি না বা কিছু করি না। তুমি একটু তোমার বাবা মাকে বোঝায় আর 2/3 বছর পর আমরা বিয়ে করবো। এদিকে মেয়ের বাবা মার পাড়ায় থাকা দায় হয়ে পড়েছে। তাই তড়িঘড়ি করে গোপনে সহজ সরল ছেলের সাথে মেয়েটিকে বিয়ে দিয়ে দেয়। ছেলেটি যদিও সহজ সরল তারপরও এতটুকু বুঝতে পারে যে  বাসর রাতে মেয়েদের বিশেষ রক্ত বের হওয়ার কথা, রক্ত বের না হলেও টাইট থাকার কথা টাইট না থাকলেও এত লুজ 3 আঙ্গুল পর্যন্ত লুজ হওয়ার কথা না। তো মেয়েকে বললে সে প্রথমে বলে এভাবেই থাকে। তারপর চাপাচাপিতে বলে বিয়ের আগে বেগুন ব্যবহার করেছে। সহজ সরল ছেলেটি মেনে নেয়। কিন্তু কিছু দিন যাওয়ার পরে মানুষের কাছ থেকে আসল সত্যটি জেনে যায়। এবং এরই মধ্যে চালাক মেয়েটি সন্তান নিয়ে নেয়। যদিও আসল সত্যিটি জানার পরও ছেলেটি তার সন্তানের দিকে চেয়ে কোন ব্যবস্থাই নিতে পারছেনা কিন্তু সংসারের প্রতি ছেলেটির কোন মায়াই আর হচ্ছে না।

তাই এই টপিকটি যদি কোন ভাই পড়েন তাহলে দয়া করে আল্লাহ/ ঈশ্বরের দোহাই কোন মেয়েকে কখনও ক্ষতি করবেন না। আর যদিও ক্ষতি করে থাকেন আল্লাহ/ ঈশ্বরের দোহাই যে কোন মূল্যে বিয়ে করে ফেলবেন। 

আর যদি কোন অভিভাবক পড়েন তাহলে তারা আপনাদের ছেলে-মেয়েকে সাবালক হওয়ার সাথে সাথেই বুঝাবেন যে, সে যেন কখন বেগুন, শষা বা এ জাতীয় কোন বস্তু দিয়ে মৈথুন না করে। এবং কেন করবে না তাও বুঝিয়ে দিবেন যে সংসারে অশান্তি হবে। 

আর যদি কোন বোন পড়েন তাহলে আল্লাহ/ ঈশ্বরের দোহাই কখনও বিয়ের আগে যৌন সঙ্গম বা শারীরিক সম্পরে্ জড়াবেন না। তা সেক্স বা গায়ে / বুকে হাত দেয়া সহ যে কোন শারীরিক সম্পরে। তাকে বলুন তুমি যদি চাও তাহলে আগে বিয়ে কর তারপর এগুলো কর। দেখবেন সে কেটে পড়েছে। 

* তাই বিয়ে আগে কোন সেক্স নয়। 
* আর যেটায় কাম থাকে সেটা প্রেম নয়। 


Case Study_Love_Sex