Showing posts with label Meditation. Show all posts
Showing posts with label Meditation. Show all posts

Saturday, January 2, 2021


নিজে নিজে নিয়মিত কোন কিছু করা খুবই কষ্টসাধ্য ব্যাপার। আপনি নিজে নিজেই যদি কোন কিছু নিয়মিত করতে পারেন। তাহলে মনে করবেন আপনি নিজেই একজন বড় মাপের সাধক হয়ে গেছে। নিজে নিজে কোন কিছু নিয়মিত করা খুবই কষ্টসাধ্য বাপার।

আপনি যদি নিয়মিত কোন কিছু করতে চান তাহলে ঐ রিলেটেড কোন সংঘের সাথে যুক্ত হয়ে যেতে হবে। যেমন : নিয়মিত নামাজ পড়তে হলে আপনাকে মসজিদের সাথে পাঁচ ওয়ার্ক আজানের সাথে সাথে চলে যেতে হয়। তাহলে নিয়মিত হয়। তেমনি নিয়মিত ধ্যান করতে চাইলে যে সংঘ প্রতিদিন বা সপ্তাহে দুই দিন বা তিন দিন নিয়মিত ধ্যান করে তাদের সাথে যুক্ত হন। দেখবেন আপনার নিয়মিত ধ্যান করা হবে।

তাদের সাথে যে কয়দিন করবেন আর বাকী সময় বাড়ীতে করলেই আপনার জন্য যথেষ্ট হবে।

কিন্তু সংঘকে ত্যাগ করা যাবে না। আপনি যদি মনে করেন যে, আহ আমি তো বাসায় বসেই নিয়মিত ধ্যান করছি। ঠিক আছে আপনি কিছুদিন একা একা ধ্যান করে দেখবেন আর হচ্ছে না। তাই নিয়মিত ধ্যান করতে চাইলে সংঘে ঢুকে পড়ুন।

নিয়মিত ধ্যান করার পদ্ধতি

Saturday, December 22, 2018

Do something for mankind

Friday, April 13, 2018

Meditation Mind, Body

মানুষ যতদিন বেঁচে থাকে ততদিন এই পৃথিবীর সাথে সম্পর্ক থাকে পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে। মানুষের পঞ্চ ইন্দ্রিয়গুলো হচ্ছে চোখ. কান, নাক, ত্বক ও জিহ্বা। চোখ দিয়ে দেখে, কান দিয়ে শোনে, নাক দিয়ে ঘ্রান নেয়, ত্বক দিয়ে অনুভব করে এবং জিহ্বা দিয়ে স্বাদ গ্রহণ করে।

মানুষ পৃথিবীতে যতদিন বেঁচে থাকে ততদিন সে জাগতিক চাওয়া পাওয়ার মধ্য দিয়ে এগোতে থাকে এবং ক্রমান্বয়ে জাগতিকভাবে, জীবনে পূর্ণতা লাভ করে। মানুষের চাওয়াকে মোটামুটিভাবে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন, সুস্বাস’্য, শানি- ও সমৃদ্ধি। এই চাওয়া-পাওয়াকে জীবনে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে, পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের সাহায্য নিতে হয়। পঞ্চ ইন্দ্রিয়কে নিয়ন্ত্রিতভাবে যদি জীবনের চলার পথে ব্যবহার করা যায় তাহলে, জীবনে সাফল্য আসবে, এটাই প্রকৃতির নিয়ম। কিন’ পঞ্চ ইন্দ্রিয়কে নিয়ন্ত্রণে রাখাই বড় সমস্যা। পঞ্চ ইন্দ্রিয় কখনও নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে অথবা কর্মহীন হয়ে পড়ে। পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের এই দুই অবস’াই মানুষের জীবন চলার পথে বিরাট অন-রায়। এই কারণে প্রতিটি ধর্মশাস্ত্র বা সাধক পুরুষেরা বলে থাকেন যে, পঞ্চ ইন্দ্রিয়কে সব সময় নিয়ন্ত্রণে রাখ- পঞ্চ ইন্দ্রিয় যেন মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে। তাহলেই জীবনে উন্নতি হবে। জীবনে শানি- আসবে, সমৃদ্ধি আসবে।

মূল কথা হলো, পঞ্চ ইন্দ্রিয়কে নিয়ন্ত্রণে রাখলে জীবনে সমতা আসে। জীবন সুন্দর হয়। চাওয়া-পাওয়ার মধ্যে সামঞ্জস্য আসে। ভারসাম্যপূর্ণ জীবন তৈরি হয়। সে জন্যই যুগে যুগে সাধক পুরুষেরা ধ্যানের আশ্রয় নিয়েছেন, এখনও নিচ্ছেন। ধ্যানের মধ্য দিয়ে পঞ্চ ইন্দ্রিয়কে নিয়ন্ত্রণে রাখা খুবই সহজ।

আপনিও চাইলে নিয়মিত ধ্যান চর্চার মধ্য দিয়ে পঞ্চ ইন্দ্রিয়কে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন। এর জন্য প্রয়োজন দিনের কোনো এক সময় নিজের মধ্যে নিজে ডুব দেয়া। অর্থ্যাৎ আপনার ভিতরে আপনাকে খোঁজার চেষ্টা করতে হবে। তাহলেই একদিন দেখবেন আপনি আপনার নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছেন। অর্থাৎ পঞ্চইন্দ্রিয় আপনার নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে।

Meditation and five sense

Thursday, April 12, 2018

Meditation Mind, Body

মেডিটেশন মানুষকে কীভাবে শারীরিক এবং মানসিকভাবে ভালো থাকতে হয় সেই শিক্ষা দেয়। মেডিটেশনের কাজ যেহেতু মন দিয়ে, তাই প্রথমে মনকে বুঝতে হলে, মনকে অনুধাবন করতে হলে, মনকে সঠিকভাবে ব্যবহার শিক্ষতে হলে বা মেডিটেশন চর্চা করতে হলে প্রথমেই মনকে বুঝতে হবে।

আজ আমরা মন সম্পর্কে কিছু কথা বলব।
মনের অবস’ান শরীরের মধ্যে কোথায় আছে আমরা জানি না, মনের কোনো নির্দিষ্ট আবাসস’ল নেই।
শরীর ও মনের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য হচ্ছে মন স্বাধীন এবং নিয়ন্ত্রণহীন। মন সে তার ইচ্ছামতো চলতে ফিরতে চায়।

অপর দিকে শরীর পরাধীন এবং নিয়ন্ত্রিত। তার নিজস্ব কোনো ইচ্ছা বা আকাঙ্খা নেই।
শরীর ও মন-এর যৌথ উদ্যেগেই একজন মানুষের জীবনের আশা আকাঙ্খা, ইচ্ছা-অনিচ্ছা, ভালোলাগা-ভালোবাসা, জাগতিক চাওয়া-পাওয়া সব কিছুই পরিচালিত হয়। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখে মন।

যারা মন নিয়ে গবেষণা করেন, তারা লক্ষ করেছেন যে, মনের সাথে মানুষের মসি-ষ্কের এক প্রকার সম্পর্ক আছে। মানুষ যখন রেগে যায় তখন মসি-স্কের মধ্যে এক প্রকার কম্পন তৈরি হয়। মানুষ যখন ঘুমন- অবস’ায় থাকে তখন মসি-ষ্কের মধ্যে এক প্রকার কম্পন তৈরি হয়। তা হলে দেখা যাচ্ছে যে ভিন্ন ভিন্ন মানসিক অবস’ার পরিপ্রেক্ষিতে, মানুষের মসি-ষ্কে ভিন্ন ভিন্ন প্রকারের কম্পন তৈরি হয়।

গবেষকরা একটি সিদ্ধানে- পৌঁছাতে সক্ষম হলো যে, মনের সাথে শরীরের এক বিশাল সম্পর্ক রয়েছে, যা বোঝা যায় মসি-ষ্কের কম্পনের মাধ্য দিয়ে। আগুনের তাপের মধ্য দিয়ে যেমন তাপের শক্তিকে বোঝায়, ঠিক তেমনিভাবে মসি-ষ্কের কম্পনের মধ্য দিয়ে মনের গতিবিধি এবং শক্তিকে বোঝা যায়।

মন যত বেশি শান- থাকবে মসি-ষ্কের কম্পন তত কমবে, মন তত বেশি শক্তিশালী হবে। মন যত বেশি অশান- হবে মসি-স্কের কম্পন তত বাড়তে থাকবে, মন তত বেশি দুর্বল হবে। এটাই মনের ধর্ম বা চরিত্র। মনের বিচিত্র চরিত্রের মধ্য এই দুটো চরিত্রকেই মেডিটেশন-এর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।

প্রতিদিন কিছুটা সময় মেডিটেশনের জন্য ব্যয় করুন।
নিজে ভালো থাকুন, অপরকে ভালো রাখুন।

মেডিটেশন মনের প্রভাব

আজও মন নিয়ে আলোচনা। মোদ্দা কথা হলো যে, মনকে যে নিজের নিয়ন্ত্রণে আনতে পেরেছে সে জীবনে সফল হতে পেরেছে। মনকে নিয়ন্ত্রণে আনা খুব যে সহজ বা খুব যে কঠিন তাও বলব না। তবে মেডিটেশনই একমাত্র উপায় যার মাধ্যমে মনকে নিয়ন্ত্রণে এনে বশ করা যায়।

মনের অবস’ান ভেদে মনকে পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়, যেমন অতি চেতন মন যাকে গামা লেভেল বলা হয়। চেতন মন অর্থাৎ বিটা লেভেল। অবচেতন মন অর্থাৎ আলফা লেভেল। অচেতন মন অর্থাৎ থিটা লেভেল বলা হয়। এরপরও মনের আর একটি অবস’া আছে যাকে বলে ডেল্টা লেভেল।
কোনো ব্যক্তি যখন অত্যাধিক রাগান্বিত থাকে তখন ঐ অবস’াকে বলে অচেতন বা গামা লেভেল। গামা লেভেল যখন অত্যাধিক বৃদ্ধি পায় তখন মানুষ হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়ে।

আমরা যখন স্বাভাবিক কাজ কর্ম করি, দৈনন্দিন রুটিন ওয়ার্ক করি, যখন কোনো কাজে তেমন কোনো গভীর চিন-া ভাবনা করতে হয় না, তখন মন যে অবস’ায় থাকে তখন তাকে বলে মনের চেতন অবস’া বা বিটা লেভেল।

মানুষ যখন ঘুমের অবস’ায় থাকে অথবা গভীর চিন-ায় মন যখন নিমগ্ন থাকে, যখন মন কোন সৃষ্টিশীল কাজ করে, মন যখন ভালোবাসা বা ভালোলাগার জগৎ এ থাকে আবেগ অনুভুতি জগৎ জাগ্রত  হয়ে থাকে তখন মন যে অবস’ানে থাকে তাকেই বলে অবচেতন মন বা আলফা লেভেল। আলফা লেভেলকে বলা হয় সৃষ্টির জগৎ।  মানুষ যা কিছু আবিষ্কার করে তা ঐ আলফা লেভেলে গিয়েই করে থাকে।
মানুষের অনুভুতি যখন লোপ পায় অর্থ্যাৎ সেনসিং পাওয়ার যখন কমে যায় তখন সেই অবস’াকে বলে অচেতন অর্থ্যাৎ থেটা লেভেল।

এর পরের আরেকটি অবস’া থাকে যাকে বলে ডেল্টা লেভেল, এই অবস’ায় মসি-ষ্কের কম্পন প্রায় শূন্যের কাছাকাছি চলে যায়।

আমরা যদি একটু খেয়াল করি তাহলে দেখব যে মনের বিভিন্ন অবস’ার মধ্যে অবচেতন অর্থাৎ আলফা লেভেল মানুষের জন্য খুবই উপকারী এবং কার্য্যকরী।

মেডিটেশন চর্চার জন্য এই আলফা লেভেলকেই প্রধানত ব্যবহার করা হয়।
আগামীতে আলফা-লেভেল নিয়ে বিস-ারিত আলোচনা করব।
কিছুটা সময় মেডিটেশনের জন্য ব্যয় করুন।

নিজে ভালো থাকুন, অপরকে ভালো রাখুন।

Meditation Mind, Body মেডিটেশন, মন ও শরীর

Tuesday, April 10, 2018

Meditation

Mind and subconscious


মেডিটেশনের মূল চালিকা শক্তি হচ্ছে মন। সেই মনের সবচেয়ে কার্যকরী অবস’া যাকে বলা হয় অবচেতন অবস’া বা আলফা লেভেল। এই বিষয়ে আজকের আলোচনা।

মনের বিভিন্ন স-রের মধ্যে সবচেয়ে অবচেতন মন বা আলফা লেভেলে। মেডিটেশনের বেশিরভাগ কার্য এই   স-রে গিয়ে করা হয়। একজন মানুষ যখন আলফা লেভেলে অবস’ান করে তখন তার মসি-ষ্কের কম্পন প্রতি সেকেন্ডে ৭ থেকে ১৪ সাইকেলস-এর মধ্যে থাকে। দিনের বেশিরভাগ সময় আপনার মসি-ষ্কের কম্পন প্রতি সেকেন্ডে ৭ থেকে ১৪ সাইকেলস-এর মধ্যে যদি ধরে রাখতে পারেন তাহলে শরীরে হিলিং পাওয়ার অর্থাৎ নিরোগ থাকার ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং আপনি সুস’ থাকবেন, অসুখ-বিসুখ কম হবে।

এখন প্রশ্ন হলো ৭ থেকে ১৪ সাইকেলস-এর মধ্যে কীভাবে ধরে রাখবেন। আপনি যদি নিয়মিত মেডিটেশন করেন তাহলে আপনার মন ৭ থেকে ১৪ সাইকেলস-এর মধ্যে দিনের বেশির ভাগ সময় থাকেবে।

অবচেতন মনের কাজ হলো শরীরের ভিতরকার সব কিছুকে নিয়ন্ত্রণ করা। আমাদের শরীরের অভ্যন-রীণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ এবং গ্লান্ডের উপর সরাসরি প্রভাব বিস-ার করে থাকে।

অবচেতন মনের চাল-চলন, ধ্যান ধারণা চেতন মনের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। চেতন মন যুক্তিদ্বারা পরিচালিত হয়। যেমন বলা হলো নদীতে ঝাপ দাও সাথে সাথে মনে প্রশ্ন উদয় কেন আমি নদীতে ঝাপ দিব। এই যে প্রশ্ন বা যুক্তি মনের মাঝে জাগ্রত হলো এটাই মনের কাজ। বাজারে হঠাৎ কোনো জিনিষ ভালো লেগে গেল এবং কিনে ফেলা হলো পরক্ষণেই জিজ্ঞাসা করা হলো কেন কিনলেন, উত্তর হবে এই রকম যে কেন কিনলাম জানি না। কিন’ ভালো যে লেগেছে এটা বুঝি। কোনো কারণ ছাড়া ভালোলাগা অবচেতন মনের কাজ।

অবচেতন মনকে যা বলা হবে তাই সে ধারন করবে কোনো প্রকার যুক্তি ছাড়াই। চেতন মন অনেক কিছুই ভুলে যায় কিন’ অবচেতন মন কখনোই কোনো কিছু ভোলে না। অনেকটা কম্পিউটারের হার্ড ডিক্সেরর মতো।

অবচেতন মনে সব সময় আপনাকে রক্ষা করার জন্য প্রস’ত রয়েছে, আপনি যে অবস’াই থাকুন না কেন অবচেতন মন সব সময় জাগ্রত থেকে আপনার বডি গার্ড হিসাবে কাজ করে।

সবশেষে কথা হলো অবচেতন মনকে জাগ্রত করে আপনি যদি তাকে জীবন চলার পথে ব্যবহার করতে পারেন তাহলে আপনার চলার পথ সুন্দর এবং মসৃণ হবে। জীবনে সফলতা আসবে।

কিছুটা সময় মেডিটেশনের জন্য ব্যয় করুন।

নিজে ভালো থাকুন, অপরকে ভালো রাখুন।

Mind and subconscious অবচেতন মন কী

Friday, April 6, 2018

মেডিটেশন ও অবচেতন মন


Meditation and Subconciou Mind

আগেই বলেছি চেতন মন যুক্তি নির্ভর, তার বুদ্ধি-বিবেচনা আছে। সে বুঝতে পারে কোনটা সত্য কোনটা মিথ্যা, কোনটা ন্যায়, কোনটা অন্যায় ইত্যাদি।

অবচেতন মন সম্পূর্ণভাবে বিচার শক্তিহীন মন। অবচেতন মনের কাজ হলো বিনা দ্বিধায়, যুক্তি ছাড়া সব মেনে নেয়া এবং আপত্তিতে সব কিছু পালন করা।

যদি কোনো প্রকারে চেতন মনের ক্রিয়াকে বন্ধ করে দেয়া যায় তখনই অবচেতন মনের কার্যকারিতা জাগ্রত হতে থাকে এবং তাকে যা বলা হবে তাই মেনে নিয়ে আপনাকে সেই ভাবে পরিচালিত করবে।

মেডিটেশনের মাধ্যমে অবচেতন মনকে কীভাবে জাগ্রত করবেন সেই পদ্ধতি এবারে বলছি।

  • মেডিটেশনের জন্য পূর্বশর্ত হলো আসন। আপনি চেয়ারে বা মেঝেতে বসে, যে ভাবে আপনার সুবিধা হয় মেডিটেশন করতে পারেন।

  • মেরুদন্ড সোজা রাখুন

  • দুই হাত উপুর করে দুই থাই-এর উপর রাখুন।

  • হালকাভাবে চোখ বন্ধ করুন। চোখে কোনো চশমা থাকবে না।

  • তিনবার ডিপ ব্রিদিং নিন (স্বাভাবিক শ্বাস-এর চেয়ে একটু জোরে গভীর ভাবে বুক পর্যন- শ্বাস টেনে নিতে হবে এবং একটু বেশি সময় নিয়ে ধীরে ধীরে শ্বাস ছাড়তে থাকুন, এই পদ্ধতিকে বলে ডিপ ব্রিদিং। ডিপ ব্রিদিং-এর ক্ষেত্রে নাক দিয়ে শ্বাস নিতে হবে এবং নাক দিয়ে শ্বাস ছাড়তে হবে। কখনও মুখ দিয়ে শ্বাস ছাড়বেন না, তাহলে আপনার উপকারের চেয়ে অপকার বেশি হবে।

  • তিন বার ডিপ ব্রিদিং শেষ করে স্বাভাবিক শ্বাস নিতে থাকুন এবং শ্বাস-প্রশ্বাস-এর দিকে খেয়ালকে ধরে রাখুন। (খেয়ালকে ধরে রাখুন বলতে, শ্বাস নিচ্ছেন তার ফলে নাকের অগ্রভাগে কী অনুভূতি হচ্ছে এবং শ্বাস ছাড়ছেন নাকের অগ্রভাগে কী অনুভূতি হচ্ছে তাই বোঝান হয়েছে)

  • কোনো প্রকার সাংসারিক বা বৈবাহিক চিন-া মাথায় আনবেন না, শুধুমাত্র স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাসের দিকে খেয়ালকে ধরে রাখুন।

  • কিছুক্ষণ পরে অনুভব হবে যে আপনি পৃথিবীর সব কিছু থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন, স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাসের মধ্যে ডুবে যাচ্ছেন এবং ক্রমেই মন শান- হচ্ছে।

  • ধ্যানস’ অবস’ায় আপনার এই অনুভূতি যখন হবে তখন বুঝতে হবে যে আপনার অবচেতন মন জাগ্রত হচ্ছে।

  • এই অবস’ায় যতক্ষণ ইচ্ছা হয় থাকুন। প্রাথমিক অবস’ায় ১০ থেকে ১৫ মিনিট, তারপর ধীরে ধীরে সময় বাড়ান।

  • এরপর ধীরে ধীরে চোখ খুলে ৩ থেকে ৫ মিনিট চুপচাপ বসে থাকুন তারপর স্বাভাবিক কাজ কর্মে ফিরে যান।


এতক্ষণ যে মেডিটেশন চর্চার পদ্ধতি বললাম, তা যদি নিয়মিত চর্চা করেন তাহলে আপনার অবচেতন মন জাগ্রত হবে। এ ছাড়া ব্লাড প্রেসার নরমাল থাকবে। ব্লাড সার্কুলেশন ইমপ্রুভ হবে, হার্টের রোগীদের জন্য খুবই উপকারী। শরীরের টিসুকে রিলাক্স করে মাথাব্যথা কমিয়ে দেয়। মসি-ষ্কে সেরোটনিন-এর বৃদ্ধি ঘটে ফলে ডিপ্রেশন, ইনসোমনিয়া দূর হয়।

কিছুটা সময় মেডিটেশনের জন্য ব্যয় করুন
নিজে ভালো থাকুন অপরকে ভালো রাখুন।

এই লেখাটি সম্পূর্ণ ক্রিয়েটিভ মেডিটেশন সাইট থেকে কপি করা

Meditation and Subconciou Mind

Tuesday, April 3, 2018

Meditation and environment

কেমন আছেন আপনি ?
নিশ্চয় উত্তর দিবেন
এই মোটামুটি আছি আর কি
অথবা বলবেন-
চলে যাচ্ছে এই তো।
এই উত্তর কিন’ ঠিক হলো না।

অবশ্য এ ভাবেই আমরা উত্তর দিতে অভ্যস- হয়ে পরেছি।
বাবা, মা, ভাই, বোন, পাড়া প্রতিবেশীদের কাছ থেকে এভাবেই আমরা শিখেছি।
আমাদের বলার কিছু নেই।
আমরা বা আপনি কেমন আছি তা নির্ভর করবে

প্রধানত
আপনার আমার মন মানসিকতার উপর। একটি শিশুকে যদি বছরের পর বছর ধরে জঙ্গলের পরিবেশে রেখে দেয়া হয় তাহলে দেখা যাবে যে, ঐ শিশু ক্রমেই বড় হচ্ছে এবং পশু প্রাণীর আচরণ রপ্ত করতে থাকছে। এ থেকে বোঝা যাচ্ছে যে মানুষ তার আশে পাশের পরিবেশ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে থাকে। শুধু তাই নয় অভ্যাস ও তৈরি হয় অর্থাৎ মানুষের চরিত্র গঠন হয়। এটাই হলো সৃষ্টি জগতের নিয়ম। স্রষ্টা মানুষকে এই গুণাবলী দিয়ে তৈরি করেছেন। স্রষ্টা মানুষকে সরাসরি কিছু দেন না। স্রষ্টা কোনো মাধ্যমের মধ্য দিয়ে মানুষকে দিয়ে থাকেন। যেমন চিন-া একটি মাধ্যম। মানুষ তার জীবনে চিন-াকে ব্যবহার করে জীবনে উন্নতি করে থাকে। আপনি যা চিন-া করবেন তাই আপনার বিশ্বাসের মধ্য থাকতে হবে।

প্রথমেই যা বলেছিলাম,
আপনাকে যখন জিজ্ঞাসা করা হবে,
কেমন আছেন?
তখন মোটামুটি বা এই চলে যাচ্ছে
এভাবে বলা থেকে বিরত থাকতে হবে।
প্রতিদিন যদি এভাবে বলতে থাকেন, তাহলে একদিন দেখবেন যে, আপনার জীবন মোটামুটির মধ্য থেকেই চলে যাচ্ছে। আপনি প্রতিদিন যা বলবে, আপনার অবচেতন মন তাই ধারন করে নেবে
এবং
আপনার জীবনে তাই ঘটবে।
তাহলে আমাদের কী বলতে হবে?
মোটামুটি আছি, কেটে যাচ্ছে না বলে বলতে হবে-ভালো আছি। ভালো আছি বলাটা অভ্যাস করতে হবে। প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে, হাত মুখ ধুয়ে আসনে বসুন, আসন বলতে কি বুঝি, তা নিশ্চয়ই বোঝেন, তবুও বলছি। মেরুদণ্ড সোজা করে চেয়ারে অথবা মেঝেতে আরাম করে বসাকেই আসন বলে। তারপর চোখ বন্ধ করে গভীর ভাবে তিনবার শ্বাস নিন এবং শ্বাস ছাড়-ন, তারপর মনে মনে বলতে থাকুন ভালো আছি, আপনার যতক্ষণ ইচ্ছা হয় বলতে থাকুন।
তারপর ধীরে ধীরে চোখ খুলে স্বাভাবিক হোন।

নিজে ভালো থাকুন,
অন্যকে ভালো রাখুন।

এই লেখাটি সম্পূর্ণ ক্রিয়েটিভ মেডিটেশন সাইট থেকে কপি করা

Meditation and environment

মেডিটেশন ও পজেটিভ চিন-া


Meditation and positive thinking

কেমন আছেন ?
নিশ্চয় বলবেন ভালো আছি।
কারণ আমরা সকলেই ভালো থাকতে চাই।

এর আগে আমরা কীভাবে মেডিটেশনের মাধ্যমে ভালো থাকতে পারি তা নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। জীবন ধারনের জন্য খাদ্যের প্রয়োজন সবার এ জন্য এ কথাটি সত্য। উদ্ভিদের যেমন খাদ্যের প্রয়োজন, প্রাণীরও ঠিক তেমনি। মানুষের জন্য যে খাদ্যের প্রয়োজন তাতো নিজেরাই বুঝি। মানুষের দেহের জন্য খাদ্যের প্রয়োজন, ঠিক তেমনি ভাবে মনের জন্যও খাদ্যের প্রয়োজন। পচা বাসি খাবার খেলে শরীর যেমন অসুস’ হয় ঠিক তেমনি ভাবে পচা বাসি অর্থাৎ খারাপ চিন-া করলে মন অসুস’ হয়। পজেটিভ চিন-া মনকে সুস’ রাখে, নেগেটিভ চিন-া মনকে অসুস’ রাখে। প্রতিদিন নেগেটিভ চিন-া করলে দেখবেন, একদিন সত্যি সত্যি অসুস’ হয়ে পরেছেন। প্রতিদিন যদি পজেটিভ চিন-া করেন একদিন উপলব্ধি হবে যে, আপনি আসলেই একজন সুখী মানুষ।

যারা দিনের বেশিরভাগ সময় নেগেটিভ চিন-া বেশি করে তাদের শরীরে বিভিন্ন রোগ বাসা বাধে যেমন- টেনশন, ডিপ্রেশন, খিটখিটে মেজাজ, গ্যাসট্রিক, ডায়বেটিস ইত্যাদি।

বর্তমান বস’বাদি সমাজ ব্যবস’ায় মানুষের মাঝে নেতিবাচক অর্থাৎ নেগেটিভ দানা বাধা স্বাভাবিক কিন’ মানুষ এটাও বোঝে যে নেতিবাচক চিন-া শরীর ও মনের উপর খারাপ প্রভাব বিস-ার করে। নেতিবাচক চিন-া দূর করার সহজতম পদ্ধতি হচ্ছে মেডিটেশন। তাই সারা বিশ্বে মেডিটেশন বা ধ্যান এত জনপ্রিয়।

এক কথায় পজেটিভ চিন-া বলতে আমরা বুঝি জীবনের সব কিছুকে পজেটিভ দৃষ্টিকোন থেকে দেখা। পজেটিভ দৃষ্টিভঙ্গিও মানুষ সবকিছু সহজভাবে গ্রহণ করতে পারে, দৃষ্টিভঙ্গি উদার হয়, আত্মবিশ্বাস বাড়ে। নেগেটিভ চিন-ার মানুষ অহংকারী হয়, সব কিছুর মধ্যে ভুল ত্রুটি খুঁজে বেড়ায়, নেগেটিভ দিকগুলোকে প্রাধান্য দেয় বেশি।

সফল মানুষের জীবনী পড়লে দেখা যায় যে, এঁরা সব সময় জীবনের নেতিবাচক দিকগুলোকে বা দৃষ্টিভঙ্গিকে ইতিবাচক দিকে পরিবর্তনের চেষ্টা করেছেন।
নির্দিষ্ট একটি সময়,
সকাল, বিকাল বা রাত যখনই হোক-
আপনি আসনে বসেন।
চোখ বন্ধ রাখুন।
গভীরভাবে তিন বার শ্বাস নিন
এবং
ছাড়তে থাকুন ধীরে ধীরে।
খেয়াল করেন আপনার শরীর ও মন হালকা হয়ে আসছে।
রিলাক্স হচ্ছেন আপনি।
এবার আপনি আপনার জীবনে অতীতে ঘটে যাওয়া কোনো পজেটিভ ঘটনাকে মনে মনে কল্পনা করতে থাকেন
এবং
ভাবেন যে ঐ পজেটিভ ঘটনার মতো আপনার জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত পজেটিভ হয়ে উঠছে।
মেডিটিভ বা ধ্যানস’ অবস’া আপনি ইচ্ছা করলে শ্রুতিমধুর কোনো ইঅঈকএজঙটঘউ গটঝওঈ ব্যবহার করতে পারেন।
আজকে এখানেই শেষ করছি, আবার কথা হবে।

নিজে ভালো থাকুন,
অন্যকে ভালো রাখুন।

এই লেখাটি সম্পূর্ণ ক্রিয়েটিভ মেডিটেশন সাইট থেকে কপি করা

Meditation and positive thinking

Monday, April 2, 2018

breath and meditation

 

শ্বাস-প্রশ্বাস ও মেডিটেশন


কেমন আছেন আপনি?
মোটামুটি আছি, চলে যাচ্ছে বা কেটে যাচ্ছে,
না বলে
নিশ্চয় বলবেন ভালো আছি।
আমি ভালো থাকি
আমরা ভালো থাকি
পরিবার ভালো থাকুক
সমাজ ভালো থাকুক
দেশ ভালো থাকুক
এটাই চাই আমরা সকলে। আসলে ভালো থাকার জন্য প্রথম পদক্ষেপ নিতে হয় নিজেকেই। মানুষ যদি ভালো  হয়ে যায় তাহলে এই পৃথিবী হবে মানুষের জন্য নিরাপদ আবাসস, মানুষ সুখে শানি-তে থাকবে। যুদ্ধ-বিগ্রহ/ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধ হয়ে যাবে।


এবারে নিজে কীভাবে শান- থাকব অথবা শানি-তে থাকব সেই বিষয়ে আলোকপাত করা যাক।


নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন যে, আলোচনার মধ্যে অথবা মেডিটেশনের পদ্ধতি যখন বলি তখন একটি মৌলিক বিষয় সব সময় ঘুরে ফিরে আসে, আর তাহলো শ্বাস-প্রশ্বাসঅর্থাৎ
জীবনের অপর নাম শ্বাস-প্রশ্বাস
জীবনীশক্তির অপর নাম শ্বাস-প্রশ্বাস
জীবাত্মার অপর নাম শ্বাস-প্রশ্বাস
বেঁচে থাকার অপর নাম শ্বাস-প্রশ্বাস
এবারে বুঝতেই পারছেন আমাদের জীবনে শ্বাস-প্রশ্বাসের গুরুত্ব কত অপরিসীম। তাহলে এই শ্বাস-প্রশ্বাসকে মেডিটেশনে যদি ব্যবহার করে প্রয়োগ করতে পারি তাহলে আমরা অবশ্যই উপকৃত হবো।


এখন প্রশ্ন হলো যে-
সারাদিনই তো শ্বাস নিচ্ছি এবং ছাড়ছি
তাহলে পুনরায় মেডিটেশনের জন্য শ্বাস-প্রশ্বাসের প্রয়োজন কেন।
এর উত্তর খুব সহজ।
আমরা যে শ্বাস-প্রশ্বাস নেই তা শুধুমাত্র নিজেকে বাঁচিয়ে রাখা অর্থাৎ জীবন ধারন-এর জন্য। কিনমেডিটেশনের জন্য যে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে হয় তা নেওয়ার পদ্ধতি ভিন্ন প্রকৃতির।  মেডিটেশনের দৃষ্টিকোন থেকে শ্বাস-প্রশ্বাস দুই প্রকার-
স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস ও সচেতন শ্বাস-প্রশ্বাস
নিজেকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য আমরা স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাসকে ব্যবহার করে থাকি। সচেতন শ্বাস-প্রশ্বাস মেডিটেশন চর্চার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। সচেতন শ্বাস-প্রশ্বাস বলতে নিজের শ্বাস-প্রশ্বাসের প্রতি খেয়ালকে ধরে রাখাকে বুঝি। দিনের বেশিরভাগ সময় যদি শ্বাস-প্রশ্বাসের দিক খেয়ালকে ধরে রাখা যায় তাহলে শরীরের অনেক উপকার হয়। কিনসব সময়তো আর শ্বাস-প্রশ্বাসের দিকে খেয়াল করে ধরে রাখা সম্ভব নয়। তাই মেডিটেশনের সময় এই কাজটি করলেও আপনি উপকৃত হবেন।


কীভাবে করবেন এবার তাই বলছি।
দিনের যে কোনো সময় বা অবসর মুহূর্তে অথবা নির্দিষ্ট কোনো সময় আপনি আসনে বসুন। তার পর চোখ বন্ধ করে, ধীরে ধীরে শ্বাস টেনে নিতে থাকুন, গভীর ভাবে। খেয়াল করুন শ্বাস বুক পর্যনচলে এসেছে।


এবার ধীরে ধীরে শ্বাস ছাড়তে থাকুন
এবং
খেয়ালকে শ্বাস-প্রশ্বাসের দিকে রাখুন।
যতক্ষণ ইচ্ছা হয় বা ভালো লাগে
ততক্ষণ
এভাবে চর্চা করতে থাকুন।


শুধুমাত্র খেয়াল রাখবেন, শ্বাস-প্রশ্বাসের কারণে বুকে যেন চাপ না পরে।
শ্বাস-প্রশ্বাস হচ্ছে ক্রিয়েটিভ মেডিটেশনের প্রাণ।


নিজে ভালো থাকুন,
অন্যকে ভালো রাখুন।


এই লেখাটি সম্পূর্ণ ক্রিয়েটিভ মেডিটেশন সাইট থেকে কপি করা

breath and meditation

Sunday, April 1, 2018

Meditation and Tension

টেনশন ও মেডিটেশন

মেডিটেশনের ভাষায় বলতে হয় যে,
জীবনের অপর নাম শ্বাস-প্রশ্বাস
শ্বাস-প্রশ্বাসের অপর নাম জীবন।

জীবন শুরু হয়েছে শ্বাস-প্রশ্বাসের মধ্য দিয়ে হার্টের স্পন্দন থেকে। যে দিন শ্বাস-প্রশ্বাস থেমে যাবে সেই দিন জীবনের অসি-ত্ব লোপ পাবে। বর্তমান সমাজ মানুষকে কর্মমুখী করে ফেলেছে। মানুষ গতিশীল হয়েছে, মানুষের জাগতিক চাহিদা ক্রমে বেড়েই চলেছে। মানুষ জীবনমুখী হওয়ার চেয়ে বহিরমুখী হয়ে পড়েছে বেশি। যার ফলে মানুষের মধ্যে স্ট্রেস, টেনশন ক্রমেই বেড়ে চলেছে। স্ট্রেস, টেনশন যদি নিয়ন্ত্রণে থাকে, সেক্ষেত্রে মানুষ গতিশীল থাকে, কর্মমুখী থাকে, জীবনে গতিশীলতা আসে কিন’ স্ট্রেস, টেনশন যদি বেশি হয়ে পড়ে সেক্ষেত্রে মানুষ নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে। ধীরে ধীরে মানুষের মধ্যে অসুখ-বিসুখ দানা বাধতে থাকে এবং জীবনের প্রতি অনীহা চলে আসে। টেনশন বোঝার সহজ উপায় হচ্ছে, টেনশন চলাকালীন আপনার হার্ট বিট বেড়ে যাবে। শ্বাস-প্রশ্বাস ঘন হয়ে আসবে। সকল চিন-াগুলো দ্রুত ঘটতে থাকবে। যে কোনো অবস’ার পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের মধ্যে টেনশন, ডিপ্রেশন জাগ্রত হতে পারে। কখন কোন অবস’ার পরিপ্রেক্ষিতে টেনশন জাগ্রত হবে তা বলা মুশকিল। তবে সাধারণভাবে বলা যেতে পারে যে আমাদের চাওয়া এবং পাওয়ার মধ্যে সমন্বয় না হলেই মনের মধ্যে যে অস্বাভাবিকতা জাগ্রত হয় তাই টেনশন।

জীবনকে সুস’ স্বাভাবিকভাবে পরিচালিত করার জন্য, বিশেষ করে নিজেকে সুস’ রাখার জন্য, দুশ্চিন-ামুক্ত থাকার জন্য অবশ্যই টেনশন পরিহার করা উচিৎ।

টেনশন থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার জন্য সারা দিনের কর্মমুখর ব্যস- জীবনের মধ্য থেকে নিজেকে কিছু সময়ের জন্য আলাদা করে ফেলুন। সেই সময়টি শুধুমাত্র আপনার। সেখানে আর কেউ নেই, নিজেকে একটু এলিয়ে দিন। একানে- নিজেকে নিয়ে ভাবুন। যেমনি করে ভাবে প্রেমিক প্রেমিকাকে। এখানে প্রেমিক আপনার দেহ, প্রেমিকা আপনার মন। নিভৃতে নিজেকে নিয়ে ভাবতে থাকুন। নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কার করুন। নিজের মধ্যে নিজে ডুব দিন দেখবেন আপনি নতুন এক জগতের দিকে যাচ্ছেন। একবার চেষ্টা না হয় করেই দেখুন নিজেকে কত সতেজ এবং ঝরঝরে মনে হয়।

নিজে ভালো থাকুন,
অন্যকে ভালো রাখুন।

এই লেখাটি সম্পূর্ণ ক্রিয়েটিভ মেডিটেশন সাইট থেকে কপি করা

Meditation and Tension

Thursday, March 29, 2018

What is Meditation and Why

মেডিটেশন কী এবং কেন ?
এর আগে আমরা মেডিটেশনের ইতিহাস সম্পর্কে ধারণা নেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম আজকে আরও একটু গভীরে গিয়ে মেডিটেশনকে বোঝার চেষ্টা করব অর্থাৎ মেডিটেশন বলতে কী বুঝি এবং মেডিটেশনের উপকারিতা নিয়ে আলোচনা করব
আমরা জানি মানুষ তিনটি দৃশ্য ও অদৃশ্য বস’র সমন্বয়ে সৃষ্টি-
১.     দেহ    -    আমরা দেখতে পাই
২.     মন    -    আমরা দেখতে পাই না
৩.     আত্মা    -    দেখতে পাই না
দেহ কর্ম করে মন তার শক্তির সাহায্যে চিন-ার মধ্য দিয়ে শরীরকে নির্দিষ্ট লক্ষে পরিচালনা করে আত্মা আমাদেরকে বাঁচিয়ে রাখে
মন ও আত্মা দেহ নির্ভরশীল পানির মধ্যে যেমন মাছের অসি-ত্ব প্রকাশ পায়, মাছ স্বাচ্ছন্দ অনুভব করে, ঠিক তেমনিভাবে দেহের মধ্যে মনের অসি-ত্ব প্রকাশ পায়, স্বাছন্দ অনুভব করে মেডিটেশন মূলত দেহ ও মন নিয়ে কাজ করে
মন বিক্ষিপ্তভাবে শরীরের মধ্যে চলাফেরা করে মন যেহেতু শক্তি, আর শক্তি বিক্ষিপ্তভাবে যদি এদিক সেদিক চলাফেরা করে তাহলে মনের শক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে মেডিটেশন হচ্ছে এমন এক প্রশিক্ষণ বা আত্মস- করার পদ্ধতি যার মাধ্যমে বিক্ষিপ্ত মনের শক্তিকে একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যের উপর বা একটি বিষয়ের উপর ধরে রাখা হয়
এছাড়াও অনেকভাবে মেডিটেশনের ব্যাখ্যা দেওয়া যায় যেমন -
১.    মেডিটেশন হচ্ছে মনের এক বিশেষ অবস’া, যার মাধ্যমে মনের শক্তিকে বোঝা এবং বৃদ্ধি করা যায়
২.    মেডিটেশনের মাধ্যমে মনকে জাগতিক খেয়াল থেকে ভিতরের জগতে নিয়ে আসে
৩.    মেডিটেশন এমনই এক পদ্ধতি যার মাধ্যমে নিজেকে চেনা ও জানা যায়
৪.    মেডিটেশন হচ্ছে মনের শক্তিকে বহুগুণ বৃদ্ধি করার বিশেষ এক পদ্ধতি

এই লেখাটি সম্পূর্ণ ক্রিয়েটিভ মেডিটেশন সাইট থেকে কপি করা

What is Meditation and Why?

Wednesday, March 28, 2018

History of Meditation

আসসালামু আলাইকুম। প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি যে, এই লেখাটি সম্পূর্ণ ক্রিয়েটিভ মেডিটেশন সাইট থেকে কপি করা তাই আমিো হুবুহু দিয়ে দিলাম। কিন্তু আমি নিজে মেডিটেশন জানি এবঙ নিয়মিত করি। সময়ের অভাবে লিখতে পারি না। দয়া করে ক্ষমা সুন্দরদৃষ্টিতে দেখবেন।

মেডিটেশনের ইতিহাস

নতুন একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা শুরু করতে যাচ্ছি
নতুন বিষয়টির নাম হচ্ছে মেডিটেশন
নাম থেকেই মোটামুটিভাবে বোঝা যাচ্ছে যে, মনের সাথে সংযোগ আছে এমন একটি বিষয় আসলে শুধু মনের সাথেই নয় দেহের সাথেও মেডিটেশনের রয়েছে বিশাল এক সম্পর্ক

আমরা যদি হাজার হাজার বছর আগে ফিরে যাই, তখন দেখব যে মানুষ বর্বর ছিল কারণ মানুষ জানত না যে, কীভাবে মনের শক্তিকে নিজের উন্নতির জন্য বা প্রয়োজনে ব্যবহার করতে হয়

মানুষ যখন ধীরে ধীরে সভ্যতার দিকে এগোতে লাগল, তখন মনের শক্তিকে ধীরে ধীরে ব্যবহার করতে শিখল এভাবেই একদিন মানুষ নিজেকে নিয়ে চিন-া করতে লাগল, নিজেকে বোঝার চেষ্টা করতে লাগলএকদিন বোধগম্য হলো যে আমাকে নিশ্চয় কেউ সৃষ্টি  করেছে, তা না হলে আমি এই পৃথিবীতে এলাম কী করে

সভ্যতার ক্রমবিকাশের ধারায় এক পর্যায় এসে মানুষ যাদের প্রকৃতিতে শক্তিশালী মনে করত তাদেরকেই স্রষ্টা বা দেবতা মনে করতে লাগল এবং তাদের জন্য পূজা-অর্চনা করত সূর্য, চন্দ্র, আগুন, মাটি, বাতাস এদের কে দেবতার রূপে দেখা হত কিন’ পরবর্তীতে মানুষ আরো চিন-া করে দেখল যে সূর্য, চন্দ্র এরা আসলে স্রষ্টা নন কারণ এদেরকেও তো কোনো অদৃশ্য শক্তি সৃষ্টি করেছে সেই অদৃশ্য শক্তিকে খুঁজতে গিয়েই ধ্যানের উৎপত্তি হল এবং স্রষ্টার অদৃশ্য রূপ সম্পর্কে ধারণা এল স্রষ্টাকে খোঁজার পদ্ধতিই হলো ধ্যান বা মেডিটেশন

মানুষ যত বেশি সভ্যতার দিকে এগোতে লাগল, মানুষের মনে তত বেশি প্রশ্ন দেখা দিতে লাগল এভাবে একদিন বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে বিজ্ঞানের আর্বিভাব হলো জ্ঞান-বিজ্ঞান-এর মধ্য দিয়ে মানুষ আলোর দিকে এগোতে লাগল

ধ্যান বা মেডিটেশনের সাথে বিশ্বাস-এর বিশাল এক সম্পর্ক রয়েছে স্রষ্টা আছে এই বিশ্বাস থেকেই মেডিটেশন-এর উৎপত্তি বিজ্ঞানের আর্বিভাব ধ্যানের পরিধিকে আরও বাড়িয়ে দিল যখন একজন মানুষ ধ্যানের মধ্য দিয়ে স্রষ্টাকে খুঁজতে থাকে, তখন ঐ ব্যাক্তির শরীর ও মনের মধ্যে কি রকম ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া হয় বিজ্ঞান তা খুঁজতে লাগল বিজ্ঞান দেখল যে ধ্যানস’ বা মেডিটেশন অবস’ায় মানুষের মধ্যে এক প্রকার শক্তি তৈরি হয় আরও বুঝতে পারা গেল যে, এই শক্তি মানুষের জীবন চলার পথে ব্যবহার করে শারীরিক ও মানসিকভাবে নিজেকে অনেক এগিয়ে নেওয়া যায় শারীরিক, মানসিক, পড়াশোনা, জ্ঞানচ্চর্চা, জাগতিক চাওয়া-পাওয়া, সৃজনশীল কর্মকাণ্ড এরকম বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার করে কাঙ্খিত সাফল্য অর্জন সম্ভব বিজ্ঞানের এই চিন-াধারা থেকেই আধুনিক মেডিটেশন বা ধ্যানের উৎপত্তি

যুগে যুগে মানুষ ধ্যানের চর্চা করে আসছে, এখনও করছে মানুষ স্রষ্টাকে পাওয়ার জন্য বনে জঙ্গলে, পাহাড়ে, গুহায় এরকম নিভৃত স’ানে গিয়ে ধ্যানস’ হত বর্তমানে মানুষ নিজের প্রয়োজনে মেডিটেশনকে ব্যবহার করে উপকৃত হচ্ছে বিজ্ঞান আমাদেরকে সেই সুযোগ করে দিয়েছে এখন আর বনে জঙ্গলে যেতে হয় না, নিজের ঘরে বসেই একজন মানুষ মেডিটেশন চর্চা করতে পারে যে কারণে সারা বিশ্বে মেডিটেশন এত জনপ্রিয় মনে রাখতে হবে যে মেডিটেশন পাশ্চাত্যের কোনো বিষয় নয়, এটি প্রাচ্যের এদেশে সুফি সাধকেরাই এর গোড়াপত্তন করে গেছেন আমরা এখনতাকে নিজের জীবনে প্রয়োগ করছি মাত্র

মেডিটেশন আসলে এক প্রকার মানসিক ব্যায়াম
সবশেষে মেডিটেশন সম্পর্কে এভাবেই বলা যায় যে
মেডিটেশন হচ্ছে মনের বিশেষ এক অবস’া, যে অবস’ায় মনের শক্তি বহুগুণে বৃদ্ধি পায় এই বর্ধিত শক্তি নিজের এবং অপরের কল্যাণে ব্যবহার করে জীবনকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নেয়া যায়

Meditation Ebook


Meditation Audio

History of Meditation