Saturday, October 22, 2022
Monday, August 15, 2022
দুই দিন আগে কি পড়েছিলেন ভুলে গেছেন। কিন্তু গত ঈদে কই নামাজ পড়েছিলেন, কয়েক বছর আগে এসএসসি রেজাল্টের সময় কই ছিলেন, ঠিকই মনে আছে। তারমানে আপনার পড়ালেখা মনে না থাকলেও, বাকি সব ঠিকই মনে থাকে। তাই বাকি সব মনে রাখার স্টাইলে খুব সহজেই পড়ালেখা মনে রাখতে পারবেন-
01: আগ্রহ নিয়ে খালি মাথায় পড়তে বসুন: খেলা, মুভি দেখার জন্য আপনি যেমন আগ্রহ নিয়ে, জিতার আশা নিয়ে বসো। পড়ার সময়ও একইভাবে, নিজের ভিতর থেকে আগ্রহ নিয়ে, পড়া কঠিন, মনে থাকে না, বুঝি না- এইসব ভুলে, খালি মাথা নিয়ে বসতে হবে। সেই জন্য ভোরে উঠে পড়তে বসলে মাথা ক্লিন থাকে এবং পড়া দ্রুত মাথায় ঢুকে।02: ছোট ছোট অংশে ভাগ করে পড়ুন: খুব সিম্পল একটা উদাহরণ দেই। ধরুন আপনার একটা ফোন নাম্বার মনে রাখা দরকার। এখন ০১৭১৭৬৫৩৯২২ পুরাটা একসাথে পড়লে দুই মিনিট পরেই ভুলে যাবা। তাই ভেঙ্গে ভেঙ্গে ০১৭১৭ – ৬৫৩ – ৯২২ স্টাইলে পড়ুন। পড়ার সময় চিন্তা করুন- “০১৭১৭ (আধা সেকেন্ড দম নিয়ে) ৬৫৩ (আধা সেকেন্ড দম নিয়ে) ৯২২”, তাহলে মনে রাখা সহজ হবে। এরপর নাম্বারটা ব্রেইনে সেট করার টার্গেট নিয়ে খেয়াল করে করে তিনবার পড়ুন। দুইবার না দেখে কাগজে লিখুন। দেখবেন এক মাসেও এই নাম্বার ভুলবেন না। শুধু ফোন নাম্বার না, বড় সাইজের প্রকারভেদ, ব্যবসায় নীতি, বিশাল প্রমাণ এই সিস্টেমে ভাগ ভাগ করে পড়ুন।
৩. কীভাবে মুখস্ত করবেন?

যেকোন বই বা কোন পড়া মুখস্ত করার সময় তিনটি ধাপ মনে রাখতে হবে। যথা:
- মুখস্ত করা
- স্মৃতিতে ধারণ করা
- পুনরায় মনে করা
যে কোন পড়া মুখস্ত করার পর সেটা স্মৃতিতে জমা হয়। এরপর আমরা সেটা ততক্ষণ পর্যন্ত আর মনে করার চেষ্টা করি না, যতক্ষন সেটা আবার দরকার হয়।
তাহলে আমরা কিভাবে ভাবি যে যখন তখন আমরা কোন একটা বিষয় মনে করার চেষ্টা করব আর সেটা জাদুবলে মনে হয়ে যাবে! যে কোন জিনিস একবার পড়ার পর সেটা বারবার মনে করতে হবে। উপরোক্ত তিনটি পন্থা যদি অবলম্বন করা হয় তাহলে খুব সহজেই পড়া মনে থাকবে
৪.
বার বার মনে করা বা পুনরাবৃত্তি করা
কোন একটা জিনিস মনে রাখার সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে তা বার বার মনে করা। যে কোন জিনিস পড়ার পর তা পুনরায় পড়ে পড়ে মনে রাখতে হবে। একটা টপিক পাঠ করার পর তার সাথে সম্পর্কিত অন্যান্য বিষয়গুলোও পড়তে হবে। তাহলে, সেই জিনিটা বেশি মনে থাকব।
যেমন আমি যদি পড়ি ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী। শুধু এটুকু পড়লে আমার পড়া শেষ হবার কিছুক্ষণ পরেই সেটা আমি ভুলে যেতে পারি। এর জন্য আমাকে অবশ্যই বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা সম্পর্কে আরো কিছু তথ্য জান্্েতে হ্েবে.
: নিজেই নিজের টিচার হয়ে যাও: ক্লাসের বন্ধুদের সাথে আড্ডায় পড়ালেখার টপিক নিয়ে আলোচনা করুন। কোন কিছু পড়া শুরু করার আগে কোন ফ্রেন্ডের কাছ থেকে বুঝে নিতে পারলে- পড়া বুঝা ও মনে রাখা অনেক সহজ এবং দ্রুত হয়। আর ফ্রেন্ড খুঁজে না পাইলে নিজেই নিজের টিচার হয়ে নিজেকে কোন জিনিস বুঝানোর চেষ্টা করুন। কারো কাছে পড়া বুঝতে গেলে তার কাছে ১ ঘন্টার বেশি থাকবা না। আপনি কাউকে পড়া বুঝাতে গেলে গেলে, ১ ঘন্টার বেশি সময় দিবা না
মানুষের মস্তিষ্কের দুটি দিক রয়েছে। একটি সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেম, অন্যটি পেরিফেরাল নার্ভাস সিস্টেম। সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমের আবার অনেক ভাগ। এর সঙ্গে রয়েছে নানা রকম কাজ। তার একটি হলো মেমোরি বা স্মৃতিশক্তি।
সবার স্মৃতিশক্তি এক নয়। যে সকল ছাত্ররা কোন একটি নতুন কনসেপ্ট খুব সহজেই উপলব্ধি করতে পারে কিংবা অল্প সময়ে মুখস্থ করতে পারে এবং এটির যথার্থ প্রয়োগ করতে পারে অবশ্যই এটি তাদের জন্য একটি বড় প্লাস পয়েন্ট।
বইয়ের পিছনে সামারি লিস্ট: প্রায় সব বইয়ের পিছনেই দুই-এক পাতা সাদা পৃষ্ঠা থাকে। আর না থাকলে স্কচ-টেপ বা পিন দিয়ে লাগিয়ে নিবা। তারপর যে জিনিসগুলা ভুলে যাওয়ার চান্স বেশি বা পরে ভালো করে রিভিশন না দিলে পরীক্ষার হলে লিখতে পারবেন না- সেগুলা পেইজ নাম্বার সহ বইয়ের পিছনের সাদা কাগজে লিখে রাখবা। যাতে ৩-৪ ঘন্টা রিভিশন দেয়ার সুযোগ পাইলে, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিসগুলা পৃষ্ঠা নম্বর দিয়ে খুব সহজেই খুঁজে বের করে রিভিশন দিতে পারো।
Tuesday, July 26, 2022
ছোটদের কিরকম শিক্ষা দিলে তারা সহানুভূতিশীল মানুষ হয়ে উঠবে?
শাসন করা তারই সাজে, আদর করে যে। এই বাক্যটি মনে রেখে বাচ্চাদের শাসন করেন মা-বাবা বা পরিবারের গুরুজনরা। কিন্তু এই শাসন করতে গিয়েই তারা এমন সব কথা বা বাক্য ব্যবহার করেন, যা শিশুদের মনে ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। আপাতদৃষ্টিতে বাক্যগুলো সহজ-সরল হলেও আপনার ব্যবহৃত এই বাক্যগুলোই অন্য শিশুদের থেকে পিছিয়ে দিচ্ছে আপনার শিশুকে। ব্রাইটসাইটের কল্যাণে চলুন জেনে নিই কোন সাতটি বাক্য শিশুদের বলা উচিত নয়।
১. বড়দের কথা শোনা উচিত
কথাটি শুনে বাচ্চারা কী ভাবে : ‘সব বড়ই নিশ্চয়ই ভালো এবং সৎ। তারা যা বলবে আমাকে তাই করতে হবে।’ ফলে বাচ্চারা অপরিচিত কাউকে সৎ ভেবে তার কথা শুনতে গিয়ে বিপদে পড়তে পারে।
যা বলা উচিত : এই কথাটি না বলে বরং বলা উচিত ‘মা ও বাবার কথা শুনতে হয়’। এই বাক্যটি আপনার সন্তান চিন্তা করতে বাধ্য করবে এবং অপরিচিত ব্যক্তিদের সঙ্গে কীভাবে কথা বলা উচিত সেটা শেখার তাগিদ দেবে।
২. কান্না বন্ধ করো
কথাটি শুনে বাচ্চারা কী ভাবে : ‘নিজের আবেগ-অনুভূতি প্রকাশ করা খুবই খারাপ কাজ। কাঁদলে আমাকে ধমক দেওয়া হবে।’ ফলে সে এক ধরনের নীরবতার মাঝে বড় হয়ে উঠবে। তবে এখনই হোক বা দেরিতে, লুকিয়ে রাখা এই আবেগগুলোই রাগ অথবা কান্নার মাধ্যমে বের হয়ে আসবে।
যা বলা উচিত : ‘কী তোমাকে বিরক্ত করছে? কেন কাঁদছ তুমি?’ যদি বাচ্চারা পড়ে গিয়ে ব্যথা পায়, তাহলে বলা উচিত ‘তুমি কি ব্যথা বা ভয় পেয়ে কাঁদছ?’ এ ধরনের কথা আপনার সন্তানকে আবেগ সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা দেবে।
৩. দুজনে সব সময় ভাগাভাগি করে খেলবে
কথাটি শুনে বাচ্চারা কী ভাবে : ‘আমাকে সবকিছু শেয়ার করতে হবে। এই পৃথিবীতে আমার ব্যক্তিগত বলে কিছু নেই।’ এই কথাটি আপনার সন্তানের মধ্যে আত্মত্যাগ করার মানসিকতা তৈরি করলেও সে নিজের মানসম্মান এবং অধিকার নিয়ে কথা বলতে শিখবে না। মানসম্মান এবং অধিকারকে সে নিজের জন্য মূল্যহীন বলে মনে করবে।
যা বলা উচিত : ‘তুমি কি তোমার খেলনাটা দিয়ে এই বাচ্চাটাকে খেলতে দেবে?’ অথবা ‘কিছুক্ষণের জন্য তুমি ওর খেলনা দিয়ে খেল আর সে তোমার খেলনা দিয়ে খেলুক।’ এর ফলে আপনার বাচ্চা নিজের জিনিস কীভাবে সামলাতে হয়, তা শিখবে। যদি আপনি বলার পরও আপনার বাচ্চা খেলনা শেয়ার করতে না চায়, তাহলে জোর করবেন না।
৪. কার কাছে শিখেছ? (দুষ্টুমির ক্ষেত্রে)
কথাটি শুনে বাচ্চারা কী ভাবে : ‘আমার মা-বাবা তো জানে না আমি এই দুষ্টুমি কেন করেছি।’ এই কথাটি বলার কারণে আপনার বাচ্চা শাস্তি থেকে বাঁচার জন্য নিজের দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপানো শিখবে।
যা বলা উচিত : ‘কেন তুমি এটা করেছ?’ এই বাক্যটি আপনার বাচ্চাকে বলতে সাহায্য করবে যে দুষ্টুমিটা সে নিজে থেকে করেছে নাকি কারো উৎসাহে করেছে। তাকে তার দোষ স্বীকারের যথেষ্ট সুযোগ দিন।
৫. দেখো তোমার চেয়ে ওই ছেলেটা/মেয়েটা কত ভদ্র
কথাটি শুনে বাচ্চারা কী ভাবে : ‘আমি অন্যদের চেয়ে খারাপ। আমি যাই করি না কেন, এটা অন্যদের মতো ভালো হবে না।’ অন্য শিশুর সঙ্গে নেতিবাচকভাবে তুলনা করলে এর প্রভাব বাচ্চার আত্মসম্মানবোধের ওপর পড়ে। এর ফলে বাচ্চা ভাবতে থাকে, তাকে দিয়ে বড় কিছু অর্জন করা সম্ভব নয়।
যা বলা উচিত : ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি। তুমিও এই বাচ্চাটির মতো হতে পারবে।’ কথাগুলো বলার পাশাপাশি আপনার সন্তানের সামর্থ্যগুলো খুঁজে বের করুন এবং তাকে বুঝিয়ে দিন যে তার ওপর আপনার বিশ্বাস আছে। মনে রাখবেন, আপনার শিশুটি তার নিজের প্রতিভায় অন্যদের থেকে আলাদা।
৬. যা বলার বাসায় গিয়ে বলব
কথাটি শুনে বাচ্চারা কী ভাবে : ‘বাসায় গিয়ে মা-বাবা আমার গায়ে হাত তুলতে পারে। তারা আমাকে পছন্দ করে না। আমি বাসায় যেতে চাই না।’ এই কথাটি বলার সঙ্গে সঙ্গে মা-বাবার প্রতি ভালোবাসাটা হুমকিতে রূপ নেয় এবং বাচ্চারা বাসাটাকে শাস্তির জায়গা হিসেবে মনে করতে থাকে।
যা বলা উচিত : ‘শোন তোমাকে বলি, কেন আমি তোমার ওপর মর্মাহত হয়েছি।’ এই কথাটি শোনার পর বাচ্চারা আপনার আবেগকে মূল্য দেবে এবং ভবিষ্যতে কোনো দুষ্টুমি করার আগে বিবেচনা করবে।
৭. তুমি এখনো অনেক ছোট। তাই এ বিষয়ে তোমার চিন্তা না করলেও চলবে।
কথাটি শুনে বাচ্চারা কী ভাবে : ‘আমি জানতে চাই, আমি অন্য কাউকে জিজ্ঞেস করব।’ যদি আপনার সন্তান আপনাকে অস্বস্তিকর কোনো প্রশ্ন জিজ্ঞেস করে এবং যথাযথ জবাব না পায়, তাহলে অন্য কোনো উৎস থেকে সে তার প্রশ্নের উত্তর খুঁজবে এবং তার খুঁজে পাওয়া ব্যক্তিটি প্রশ্নটির উপযুক্ত উত্তর না দিয়ে ভুল তথ্যও দিতে পারে।
যা বলা উচিত : ‘আমি এখন তোমার প্রশ্নের উত্তর দিতে পারছি না। আমার কিছুটা সময় লাগবে।’ আপনার সন্তানকে নিরাশ করবেন না। যদি সে আপনাকে কোনো প্রশ্ন করে, তার জবাব দেওয়ার চেষ্টা করুন। এই পদ্ধতিতে তার ওপর আপনার কর্তৃত্ব বজায় থাকবে এবং সেও আপনার ওপর বিশ্বাস হারাবে না।
Sunday, June 19, 2022
Wednesday, June 15, 2022
প্রাইভেট কোম্পানির চাকরি যে কোনো সময় চলে যেতে পারে। হুট করে চাকরি চলে গেলে কি করবেন?
আর আগে থেকেই আমাদের কি করা উচিৎ?১। ইমার্জেন্সি ফান্ড রেডি রাখুন। অন্তত ৩ মাসের বেতনের টাকা জমিয়ে রাখুন। যাতে নতুন চাকরি খুঁজতে কিছুটা সময় পাওয়া যায়।
২। সব কাগজপত্র এক ফাইলে রাখুন। নতুন নিয়োগের সময় আগের চাকরির কাগজপত্র দেখতে চাইতে পারে। তাই সেসব যেন আপনার কাছে প্রস্তুত থাকে।
৩। সিভি/রিজুমি আপডেট রাখুন। হার্ড কপি/সফট কপি - দুটোই।
৪। কোম্পানির স্বাস্থ্যবীমা ছাড়াও ব্যক্তিগতভাবে স্বাস্থ্যবীমা করে রাখুন। তা না হলে চাকরি চলে যাওয়ার পর পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে চিকিৎসার জন্য খরচ করতে অসুবিধা হবে।
৫। চাকরির বাজারে চোখ-কান খোলা রাখুন। নিয়মিত খোঁজ-খবর রাখতে থাকুন।
৬। চাকরি চলে গেলে কোম্পানি থেকে প্রাপ্য টাকা-পয়সা সব বুঝে নেবেন। অনেক কোম্পানি এ সময়ে সব টাকা পরিশোধ করতে না-ও চাইতে পারে।
৭। বাড়িতে অবসর সময়টা বসে না থেকে অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের সফট স্কিল ট্রেনিং নিতে পারেন। যাতে নতুন চাকরির বাজারে আপনার গুরুত্ব একটু বাড়ে।
৮। যোগাযোগ বৃদ্ধি করুন। ই-মেইল, লিঙ্কড ইন, ফেসবুক, টুইটারসহ সব সামাজিক মাধ্যমে যোগাযোগ বৃদ্ধি করুন। প্রতিদিনই এসব মাধ্যমে কিছু সময় দিন। যেই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে চান তাদের সঙ্গে নিজের কথাগুলো বলুন আর সম্পর্ক তৈরি করতে শুরু করুন। কেবল তারা কী করছে সেটা জানতে নয়, অন্তত আপনি কী করছেন সেটা তাদেরকে জানাতে হলেও এই পদ্ধতি অনুসরণ করুন।
৯| অনলাইনে ফ্রিলান্সিং বিভিন্ন কাজ করতে পারেন স্কিল অনুযায়ী ।
১০। পরিচিত দের কে নক করে রাখবেন।
১১। লিংকডইন প্রোফাইল আপডেট রাখবেন এবং নিয়মিত সময় দিবেন।
১২। চাকরি থাকলে যে ভাবে আপনি ডিউটি করতেন ৯-৫টা, এখানেও ঠিক ঐভাবেই সময় দিবেন। চাকরি খোঁজাকেও একটা চাকরি মনে করবেন।
১৩। পরিবারের কারো সাথে খারাপ আচরন করবেন না। পরিবার কে সময় দিবেন।আপনার খারাপ দিনে তারাই একমাত্র আপনাকে অনুপ্রেরণা দিতে সক্ষম।
১৪। নিজের উপর বিশ্বাস হারানো যাবে না। আপনার দক্ষতা পরিশ্রম আপনাকে তার থেকে ভালো পর্যায়ে নিয়ে যাবে।
১৫। নিজের ফোনে রিজিউমে রাখবেন। যাতে করে কারো মেসেঞ্জারে বা ওয়ার্টস এ্যাপে দিতে পারেন, কারণ অনেকে মেসেঞ্জারে আপনার রিজিউমে দেখতে চায়। তাই চাওয়া মাত্র যাতে আপনি দিতে পারেন।
১৬। বিশ্বাস রাখবেন রিজিকের ব্যবস্থা মহান আল্লাহ তায়ালা করে রাখছেন।
(সংগৃহীত পোস্ট)
Thursday, May 26, 2022
মেডিটেশন বা ধ্যান কিভাবে শুরু করবেন?
মেডিটেশন হচ্ছে নিজের লক্ষ্যে পৌছানোর একটি অনুঘটক বা মাধ্যম।
আরে আপনার লক্ষ পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এক নিরবিচ্ছিন্ন প্রক্রিয়া।
অতিরিক্ত হিসেবে আপনার স্বাস্থ্যের উন্নতি হবে, মনের উন্নতি হবে, আপনি জ্ঞানী হবেন।
এবার আসা যাক কিভাবে শুরু করবেন।
প্রথমে একটি শক্ত বড় এবং সুন্দর ক্যালেন্ডার বানান। একা একা নিয়মিত মেডিটেশন করতে এটা দরকার।
দিনে দুইবার মেডিটেশন করবেন এবং ঐ ক্যালেন্ডারে দাগ দিবেন কাউন্ট ডাউন্ট পদ্ধতি।
এতে দেখবেন নিয়মিত করা হবে। অথবা রুটিন তৈরি করে চোখের সামনে লটকিয়ে রাখতে পারেন।
যেভাবে আপনার নিয়মিতভাবে মেডিটেশন করা হবে সেভাবে পদ্ধতি নিবেন।
এবার আসা যাক প্রক্রিয়া।
প্রক্রিয়াটা খুবই সহজ।
প্রথমে একটু নিরিবিলি স্থান নির্বাচন করুন। এবং চোখ বন্ধ করে নাক দিয়ে লম্বা দম দিন 7/8/9 বার দম নিন।
দম নিবেন জোরে ছাড়বেন একটু আস্তে যাতে হৃদপিন্ডের একটু চাপ পড়ে রক্ত আপনার শরীরের পৌছায়।
এবার নাক দিয়ে ধীরে ধীরে দম নিয়ে ধীরে ধীরে ছাড়ুন। এক্ষেত্রে আপনি ঘুমালে যেমন দম নিন সেভাবে
দম নিবেন। আর এখানে অধিকাংশ লোকই ঘুমিয়ে পড়ে। এখানে ঘুমালে চলবে না। এ স্টেজে যত আপনি সজাগ
থাকবেন তত আপনার অবচেতন মন উন্মুক্ত হবে। আপনার দুরদৃষ্টি বাড়বে, আপনার সচেতনতা বাড়বে।
আপনার সৃজনশীলতা বাড়বে।
এরপর আপনি আপনার মতো করে মনে মনে আপনার আকাংখা বা কি করতে চান। কিভাবে চান তার কল্পনা করুন।
এরপর মেডিটেশনের শেষ পর্যায়ে যখন উঠবেন তার আগে নাক দিয়ে 2/3 বার লম্বা দম নিন।
দেখবেন আপনি পুর্নো সতেজ হয়ে উঠেছেন।
ধন্যবাদ।
Friday, May 20, 2022
❒ আপনি রেলগাড়িতে আরামে বসে থাকেন যদিও রেলচালককে চিনেন না।
❒ আপনি বাসে আয়েশি করে বসে থাকেন যদিও বাস চালককে চিনেন না।
❒ তাহলে কেন আপনি আপনার জীবন নিয়ে নিশ্চিন্ত থাকছেন না যখন আমরা জানি আল্লাহই এর নিয়ন্ত্রক?
❒ আল্লাহর উপর ভরসা করুন। তিনিই সর্বশ্রেষ্ঠ পরিকল্পনাকারী❤️
■ মহান আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা বলেন,
وَاللّٰهُ خَيۡرُ الۡمٰكِرِيۡنَ
“আর আল্লাহই উত্তম পরিকল্পনাকারী।” [আলে ইমরানঃ৫৩]

